নূন্যতম সৌজন্যবোধেও রয়েছে সাওয়াব

SHARE

ইসলাম এক অনুপম আদর্শ জীবন ব্যবস্থার নাম। মানুষের জীবনের প্রতিটি কাজেই রয়েছে কল্যাণ ও সাওয়াব। প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানুষকে সে জীবন ব্যবস্থা গ্রহণের মিশন নিয়ে এ পৃথিবীতে আগমন করেছেন। বিশ্বমানবতার জন্য কল্যাণের দ্বার উন্মোচন করেছেন। নূন্যতম সৌজন্যবোধেও রয়েছে সাওয়াব।

হাদিসে পাকে এসেছে, ‘কেউ তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করলে তোমরা তাকে এর বিনিময় দেবে। যদি বিনিময় দেয়ার মত কিছু না থাকে তবে তার জন্য তোমাদের মনে এ ধারণা হওয়া পর্যন্ত দোয়া করতে থাকবে যে, ‘তোমরা তার সমপরিমাণ বিনিময় দিতে সক্ষম হয়েছো।’ (আবু দাউদ)

প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সঙ্গী-সাথীদের সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলার জন্য নসিহত করেছেন। কারণ হাসি মুখে কথা বলা বা সৌজন্যতা প্রদর্শনেও রয়েছে সাওয়াব।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘তোমার কোনো মুসলমান ভাইয়ের সঙ্গে হাসিমুখে সাক্ষাৎ করাও সাওয়াবের কাজ।’ (তিরমিজি, মুসনাদে আহমদ)

এক মুসলমানের সঙ্গে অন্য মুসলমানের আন্তরিকতা পূর্ণ সম্পর্ক, সৌজন্যতাবোধ ও হাসিমুখে সাক্ষাৎ তার উত্তম চরিত্রের পরিচয় বহন করে। উত্তম চরিত্রের অধিকারী ব্যক্তিই পরিপূর্ণ ঈমানদার। আর ঈমানদার ব্যক্তির প্রতিটি কাজই হবে সাওয়াবের এবং কল্যাণের।

এ কারণেই প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘পরিপূর্ণ ঈমানদার হলো ওই ব্যক্তি, যার চরিত্র সর্বোত্তম।’ (আবু দাউদ, মিশকাত)