SHARE
রাজশাহী ব্যুরো: রাজশাহী মহানগরীসহ এর আশে-পাশের এলাকাগুলোতে গত কয়েকদিন ধরেই পড়ছে তীব্র শীত। শীতের কারণে এ অঞ্চলের মানুষ ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েছে। এতে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার মান ব্যাহত হয়ে পড়েছে। শীতের কারণে নগরীর সাধারণ ও ছিন্নমূল মানুষ ব্যাপক ভোগান্তির মধ্যে পড়েছে।
সব চাইতে বেশি ভোগান্তির মধ্যে পড়েছে ছিন্নমূল মানুষ। শীতে ছিন্নমূল মানুষরা জড়সড়ো হয়ে যাচ্ছেন। তারা রাতে একটু শান্তিতে ঘুমাতে পারছেন না। বিশেষ করে বেশি সমস্যার মধ্যে পড়েছেন নগরীর বস্তিবাসী ও বিভিন্ন এলাকার পথশিশুরা। ছিন্নমূল মানুষরা একটা গরম কাপড়ের অভাব বোধ করলেও সেই কাঙ্খিত গরম কাপড়ের দেখা পাচ্ছেন না তারা। একটা গরম কাপড়ের জন্য হাহাকার করলেও সেই আশা অপূর্ণই থেকে যাচ্ছে। অথচ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা ভোটের আগে তাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়িয়ে সুখে-দুঃখে পাশে থাকার প্রতিশ্র“তি দেন। কষ্টের সময় তারা কারো দেখা পাচ্ছেন না। ছিন্নমূল মানুষরা একটি গরম কাপড়ের অভাবে পেপার পেড়ে শুয়ে আছে এমন দৃশ্যও দেখা গেছে। রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে সেই চিত্র।
 
 
 
সম্প্রতি রাজশাহী স্টেশনে গিয়ে দেখা গেছে, স্টেশনের ফ্লোর প্লাটফর্মগুলোতে পথশিশুরা কাপড় ছাড়াই শুয়ে থাকতে দেখা গেছে। পেপার পেড়ে শুয়ে থাকতে দেখা গেছে কয়েকজনকে। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজন খালি শরীরে শুয়ে ছিল এমন দৃশ্যও দেখা গেছে।
নগরীর কোর্ট স্টেশন ও এর আশেপাশের এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে শিশু এবং কয়েকজন মধ্যবয়ষ্ক লোকজন স্টেশনে কোন ধরণের গরম কাপড় ছাড়াই শুয়ে আছে।
 
 
 
ওই এলাকার বস্তিতে গিয়ে এক বয়ষ্ক লোকের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, গত কয়েক দিন ধরে প্রচন্ড শীত পড়ছে। শীতের কারণে একটি গরম কাপড়ের অভাব থাকলেও সাহায্যের জন্য কেউ হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেনা। বিপদের সময় কাউকে পাশে পাওয়া যাচ্ছেনা। আমরা রেল লাইনের ধারে পরিবার-পরিজনসহ বসবাস করি। সংসার চালাতেই হিমশিম খাই। তাহলে গরম কাপড় কিনব কোথা থেকে? তাই কষ্ট করে দিন কাটাতে হচ্ছে।
নগরীর শিরোইল বস্তিপাড়া এলাকায় বসবাসরত কয়েকজনের সাথে কথা হলে তারা বলেন, আমরা গরম কাপড় কোথাই পাব? এত দাম দিয়ে কাপড় কেনার টাকা নাই। কেউ একটা গরম কাপড় নিয়ে আসেওনা। তাই আমরা প্রচন্ড শীতে কষ্টের মধ্যেই আছি।
 
 
 
এ সময় পাশ থেকে মধ্যবয়ষ্ক এক মহিলা বলেন, রাজনৈতিক দলের নেতারা ভোটের আগে রেডিও, টিভি এমনকি আমাদের বাড়ি বাড়ি এসে সবসময় পাশে থাকার কথা বলে। কিন্ত এখন আর কাউরে পাওয়ায় যাচ্ছেনা। তিনি আরো বলেন, এখন জন প্রতিনিধিরা গরম কাপড় দেয়াতো দুরে থাক অফিসে গিয়ে দেখাই করতে পারা যায়না। জন প্রতিনিধিরা ভুটের আগে আসে, পরে আসেনা। রাজশাহী মহানগরীসহ এর আশে-পাশের এলাকাগুলোতে গত কয়েকদিন ধরেই পড়ছে তীব্র শীত। শীতের কারণে এ অঞ্চলের মানুষ ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েছে। এতে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার মান ব্যাহত হয়ে পড়েছে। শীতের কারণে নগরীর সাধারণ ও ছিন্নমূল মানুষ ব্যাপক ভোগান্তির মধ্যে পড়েছে।াজ
সব চাইতে বেশি ভোগান্তির মধ্যে পড়েছে ছিন্নমূল মানুষ। শীতে ছিন্নমূল মানুষরা জড়সড়ো হয়ে যাচ্ছেন। তারা রাতে একটু শান্তিতে ঘুমাতে পারছেন না। বিশেষ করে বেশি সমস্যার মধ্যে পড়েছেন নগরীর বস্তিবাসী ও বিভিন্ন এলাকার পথশিশুরা। ছিন্নমূল মানুষরা একটা গরম কাপড়ের অভাব বোধ করলেও সেই কাঙ্খিত গরম কাপড়ের দেখা পাচ্ছেন না তারা। একটা গরম কাপড়ের জন্য হাহাকার করলেও সেই আশা অপূর্ণই থেকে যাচ্ছে। অথচ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা ভোটের আগে তাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়িয়ে সুখে-দুঃখে পাশে থাকার প্রতিশ্র“তি দেন। কষ্টের সময় তারা কারো দেখা পাচ্ছেন না। ছিন্নমূল মানুষরা একটি গরম কাপড়ের অভাবে পেপার পেড়ে শুয়ে আছে এমন দৃশ্যও দেখা গেছে। রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে সেই চিত্র।
 
 
 
সম্প্রতি রাজশাহী স্টেশনে গিয়ে দেখা গেছে, স্টেশনের ফ্লোর প্লাটফর্মগুলোতে পথশিশুরা কাপড় ছাড়াই শুয়ে থাকতে দেখা গেছে। পেপার পেড়ে শুয়ে থাকতে দেখা গেছে কয়েকজনকে। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজন খালি শরীরে শুয়ে ছিল এমন দৃশ্যও দেখা গেছে।
নগরীর কোর্ট স্টেশন ও এর আশেপাশের এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে শিশু এবং কয়েকজন মধ্যবয়ষ্ক লোকজন স্টেশনে কোন ধরণের গরম কাপড় ছাড়াই শুয়ে আছে।
 
 
 
ওই এলাকার বস্তিতে গিয়ে এক বয়ষ্ক লোকের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, গত কয়েক দিন ধরে প্রচন্ড শীত পড়ছে। শীতের কারণে একটি গরম কাপড়ের অভাব থাকলেও সাহায্যের জন্য কেউ হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেনা। বিপদের সময় কাউকে পাশে পাওয়া যাচ্ছেনা। আমরা রেল লাইনের ধারে পরিবার-পরিজনসহ বসবাস করি। সংসার চালাতেই হিমশিম খাই। তাহলে গরম কাপড় কিনব কোথা থেকে? তাই কষ্ট করে দিন কাটাতে হচ্ছে।
নগরীর শিরোইল বস্তিপাড়া এলাকায় বসবাসরত কয়েকজনের সাথে কথা হলে তারা বলেন, আমরা গরম কাপড় কোথাই পাব? এত দাম দিয়ে কাপড় কেনার টাকা নাই। কেউ একটা গরম কাপড় নিয়ে আসেওনা। তাই আমরা প্রচন্ড শীতে কষ্টের মধ্যেই আছি।
 
 
 
এ সময় পাশ থেকে মধ্যবয়ষ্ক এক মহিলা বলেন, রাজনৈতিক দলের নেতারা ভোটের আগে রেডিও, টিভিতে এমনকি আমাদের বাড়ি বাড়ি এসে সবসময় পাশে থাকার কথা বলে। কিন্ত এখন আর কাউরে পাওয়ায় যাচ্ছেনা। তিনি আরো বলেন, এখন জন প্রতিনিধিরা গরম কাপড় দেয়াতো দুরে থাক অফিসে গিয়ে দেখাই করতে পারা যায়না। জন প্রতিনিধিরা ভুটের আগে আসে, পরে আসেনা।
17 Views