এক্সক্লুসিভ সংবাদ

শাওয়াল মাসের ৬ রোজার গুরুত্ব

শেয়ার করুন

বিডি রিপোর্ট টোয়েন্টিফোর ডটকম :

ইবাদতের মাধ্যমেই বান্দা মহান আল্লাহর একান্ত সান্নিধ্য লাভ করে। প্রতিটি নেক কাজেই রয়েছে মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রতিদান। আল্লাহতায়ালা বলেন, আমি জিন ও মানব জাতিকে আমারই ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছি (সূরা যারিয়াত : ৫৬)।

আল্লাহতায়ালা সূরা আনয়ামের ১৬০ নম্বর আয়াতে বলেন, কেউ কোনও সৎকাজ করলে সে তার ১০ গুণ সওয়াব পাবে।মহানবী (সা.) বলেন, আল্লাহতায়ালা বলেছেন, তোমরা যেকোনো নেক আমলই করবে, আমার কাছে তার ১০ গুণ সওয়াব প্রস্তুত আছে (হাদিসে কুদসি)।

আল্লাহ বলেন, আমার প্রত্যেক বান্দা আমারও ইবাদত করবে এবং তার মাধ্যমে ইহকাল ও পরকালের জীবনকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলবে। ইবাদত মূলত দুই প্রকার। ফরজ ইবাদত, যেমন- নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত ইত্যাদি। নফল ইবাদত, যেমন- নফল নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, দান-খয়রাত, নফল রোজা রাখা ইত্যাদি।আল্লাহর কাছে সেই প্রিয় হবে, যখন তার প্রতিটি কাজ হবে একমাত্র আল্লাহরই উদ্দেশ্যে।

সুখে-দুঃখে একমাত্র তাঁরই ইবাদত করবে, তাঁকেই ভালোবাসবে। ফরজ ইবাদত সম্পন্ন করার সাথে সাথে নফল ইবাদতে অধিক মনযোগী হবে। নফল ইবাদতগুলোর মধ্যে নফল রোজা বান্দাকে অতি সহজেই মহান আল্লাহর সান্নিধ্যে পৌঁছে দেয়। কারণ রোজা এমন একটি ইবাদত যা জাহান্নাম থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ঢালস্বরূপ এবং এর প্রতিদান স্বয়ং আল্লাহ দিয়ে থাকেন।

মহানবী (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি রমজান মাসে ফরজ রোজা পালন করল, এরপর শাওয়াল মাসে আরও ছয়দিন রোজা পালন করল, সে যেন সারা বছর রোজা রাখল (সহিহ মুসলিম)। তার মানে যখন রমজান মাসের রোজা রেখে তার সাথে সাথে শাওয়াল মাসের ছয়টি রোজা রাখল সে এই রোজার কারণে মহান আল্লাহর দরবারে পূর্ণ একটি বছর রোজা রাখার সওয়াব পেয়ে গেল।