হেড লাইন

লকডাউনে ‘মুভমেন্ট পাস’ চালু করছে পুলিশ

শেয়ার করুন

বিডি রিপোর্ট টোয়েন্টিফোর ডটকম :

করোনা পরিস্থিতিতে কার্যত লকডাউন চলছে সারাদেশে। আর এই লকডাউনে জরুরি প্রয়োজনে মানুষের চলাফেরায় বাধা ও হয়রানি বন্ধে ‘মুভমেন্ট পাস’ চালুর উদ্যেগ নিয়েছে পুলিশ। পুলিশের আইসিটি বিভাগের তত্ত্বাবধানে এই পাস দেওয়ার কার্যক্রম দ্রুত সময়ের মধ্যে চালু হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। লকডাউনে যাদের একান্তই বাইরে যাওয়া প্রয়োজন ও জরুরি পণ্য পরিবহন, সেবাদানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীদের যাচাই-বাছাই করে দেয়া হবে এই পাস। এই পাসধারী ব্যক্তি নির্বিঘ্নে সড়কে চলাচল করতে পারবেন। কোথাও পুলিশি বাধার সন্মুখিন বা অন্যকোনো হয়রানির শিকার হলে এই পাস দেখালে পুলিশ ছেড়ে দিবে।
পুলিশ সদরদপ্তরসূত্রে জানা গেছে, মুভমেন্ট পাস সেবাটি এখনও চালু হয়নি। শুধুমাত্র movementpass.police.gov.bd নামে একটি ওয়েবসাইট চালু হয়েছে। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ওষুধ, চিকিৎসা, কৃষি পণ্য পরিবহন, চাকরিসহ ১৪টি ক্যাটাগরিতে এই পাস দেওয়া হবে।

প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদানের পর শর্ত সাপেক্ষে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অনুমতি দেওয়া হবে। প্রতিবার যাতায়াতের জন্য পাস নিতে হবে। একটি পাস একবার ব্যবহারযোগ্য। যাওয়া এবং আসার জন্য দুটি আলাদা পাসের আবেদন করতে হবে।
মুভমেন্ট পাসের জন্য আবেদন করতে হলে নাম, মোবাইল নম্বর, যাত্রা শুরুর স্থান, গন্তব্য, জাতীয় পরিচয় পত্র, জন্মনিবন্ধন, স্টুডেন্ট আইডি বা ড্রাইভিং লাইসেন্স, যাত্রার কারণ ইত্যাদি তথ্য পূরণ করার পর পুলিশ অনলাইনে একটি পাস ইস্যু করবে। অনলাইনে ইস্যু করা পাসটিতে যাতায়াতের যাবতীয় তথ্য থাকবে। একইসঙ্গে একটি কিউআর কোড স্ক্যানার থাকবে, যা স্ক্যান করে বিভিন্ন চেকপোস্টে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যরা সহজেই অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তির যাতায়াত নিশ্চিত করতে পারবেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে মুদি দোকানে কেনাকাটা, কাঁচা বাজার, ঔষধপত্র, চিকিৎসা, চাকরি, কৃষিকাজ, পণ্য পরিবহন ও সরবরাহ, ত্রাণ বিতরণ, পাইকারি/খুচরা ক্রয় পর্যটন, মৃতদেহ দাফন বা সৎকার, ব্যবসা ও অন্যান্য ক্যাটাগরিতে এই পাস দেয়া হবে। যাদের বাইরে চলাফেরা প্রয়োজন কিন্তু তারা কোনো ক্যাটাগরিতেই পড়েন না, তাদের ‘অন্যান্য’ ক্যাটাগরিতে পাস দেয়ার বিষয়ে বিবেচনা করা হবে।
পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) সোহেল রানা মানবজমিনকে বলেন, লকডাউন পরিস্থিতিতে যারা জরুরি প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হবেন তারা যেন কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সেজন্যই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তবে সেবাটি এখনও চালু হয়নি প্রক্রিয়াধীন আছে। শুধুমাত্র পুলিশের ইউনিট প্রধানরা সেবাটি নিয়ে পরীক্ষামূলক কাজ করছেন। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে এটা চালু করা হবে।