আজকের সেরা সংবাদ

‘মানবাধিকার আইন সংশোধনের আহ্বান ইউরোপীয়দের পর্যালোচনা করা যেতে পারে’

বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি, কমিশনের বিদ্যমান আইন, সরকারের জবাবদিহিতা সম্পর্কে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পোর নেতৃত্বে ইউরোপীয় দূতদের একটি প্রতিনিধি দল। এসময় তারা পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রসমূহের মানবাধিকার কমিশন আইন পর্যালোচনা করে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের আইনে সংশোধনী আনার বিষয়ে স্পিকারের দৃষ্টি করেন।

এসময় স্পিকার একমত পোষণ করে বলেন, মানবাধিকার কমিশনের আইন পর্যালোচনা করা যেতে পারে। আইন মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে তিনি পরামর্শ দিবেন বলেও প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করেন। জবাবে মিয়া সাপ্পো বাংলাদেশে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় এবং সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে জাতিসংঘসহ সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রসমূহের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সংসদ ভবনে মঙ্গলবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর কার্যালয়ে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পোর নেতৃত্বে ইউরোপীয় প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করে এসব বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত মিজ সিডসেল ব্লাকেন, সুইডেনের রাষ্ট্রদূত চারলোট্টা স্লোইটার, সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেনে হোলেন্সটেইন, যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার চ্যাটারটন ডিকসন, যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ফার্স্ট সেক্রেটারি (পলিটিক্যাল) মিজ এরিকা হ্যাজনস, ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জী প্রমুখ।

সংসদের গণসংযোগ বিভাগ জানায়, ইউরোপীয় প্রতিনিধি দল সংসদীয় গণতন্ত্র, সরকারের জবাবদিহিতা, মানবাধিকার কমিশনের বিদ্যমান আইন ও কার্যাবলী এবং গণতন্ত্রের বিকাশে সুশীল সমাজের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। এসময় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

স্পিকার বলেন, সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এছাড়াও গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বাংলাদেশে গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজ বেশ শক্তিশালী-যা গণতন্ত্রের বিকাশে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।