আজকের সেরা সংবাদ

বিপদসীমা কাছাকাছি করতোয়ার পানি

শেয়ার করুন

বিডি রিপোর্ট টোয়েন্টিফোর ডটকম :

পঞ্চগড়ে করতোয়া নদীর পানি বিপদসীমার মাত্র আড়াই মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যেখানে বিপদসীমা ৭০.৭৫ মিটার গত তিন দিন টানা বৃষ্টিপাতের ফলে বর্তমানে ৬৮.২০০ মিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে করতোয়ার পানি। যেহেতু এখনো বিপদসীমা অতিক্রম করেনি আর ভারতের মহানন্দাসহ কয়েকটি নদীর পানি বাংলাদেশে প্রভাব ফেলেনি তাই বন্যা হওয়ার সম্ভাবনা আপাতত নেই। তবে যদি আরও কয়েকদিন টানা ভারী বৃষ্টিপাত হয় তাহলে বিপদ সীমা অতিক্রম করতে পারে করতোয়ার পানি। কারণ বৃষ্টিপাতের ফলে জেলার ২২টি নদীর পানি করতোয়া এসে পড়ে। 

বন্যার আগাম প্রস্তুতি হিসেবে পানি উন্নয়ন বোর্ড কয়েকদিন আগে থেকেই জেলার পাঁচটি নদীতে  ছয়টি গেজ স্টেশন বসিয়েছে পানির লেভেল পরিমাপের জন্য।  শনিবার (২৭ জুন) রাতে পঞ্চগড় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাদ্দাম হোসাইন এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, শুধু বৃষ্টিপাতের কারণে নদীগুলোতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। কারণ ভারতের কুচবিহার, বাংলাবান্ধার পার্শ্ববর্তী ভারতের শিলিগুড়ি, এবং হলদিবাড়ি জলপাইগুড়িতে অতিবৃষ্টির কারণে পঞ্চগড় জেলার নদীগুলোতে পানি বৃদ্ধির প্রভাব পড়ে। কারণ ভারতের যেই নদ নদীগুলোর সাথে করতোয়ার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সেই নদীগুলোর পানি দিয়ে যদি ভারতে বন্যা হয় তাহলে পঞ্চগড়ের করতোয়া নদীর পানি দিয়ে বন্যা সৃষ্টি হবে।

এদিকে পঞ্চগড় পৌর এলাকার শহর রক্ষা বাঁধ সংলগ্ন এলাকা এবং নদীর তীরবর্তী রামের ডাংগা, নিমনগড়, রাজনগড় খালপাড়া, মির্জানগড় তুলারডাংগা ফুলতলা এলাকাগুলোর নিম্নাঞ্চলে করতোয়ার পানি প্রবেশ করতে শুরু করছে। বোদা উপজেলার কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের হাবিব নগড় গ্রামের একটি মসজিদ বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতার কারণে হেলে পড়েছে। সদর উপজেলার কামাত কাজলদীঘী ইউনিয়নের পঞ্চগড়-টুনিহাট সড়কের মামা ভাগিনা সেতুর গাইড ওয়ালের ব্লক সড়ে গিয়ে পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ফলে মামা ভাগিনা সেতুটি এখন ঝুঁকিপূর্ণ। পরিসংখ্যান বলছে, গত ১৯৮৪, ১৯৮৮, ১৯৯৮, সালের দিকে পঞ্চগড়ে ভয়াবহ বন্যা হয়েছিল । এরপর থেকে পঞ্চগড়ের করতোয়া নদীতে তেমন বড় আকারের বন্যা হয়নি।