জাতীয়

পদ্মা সেতুর ৩৪৫০ মিটার দৃশ্যমান

SHARE

শরিয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে পদ্মা সেতুর ২৩তম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হলো সেতুর ৩৪৫০ মিটার।

রোববার দুপুরে ২৩তম স্প্যানটি বসানো হলো। ‘৬-এ’নম্বর স্প্যানটি ৩১ ও ৩২ নম্বর পিলারের উপর বসানো হয়েছে।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় মুন্সীগঞ্জের মাওয়া কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ধূসর রঙের ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৩১৪০ টনের স্প্যানটিকে বহন করে ৩৬০০ টন ধারণক্ষমতার ‘তিয়ান-ই’ ভাসমান ক্রেন। সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের মধ্যেই নির্ধারিত পিলারের সামনে গিয়ে পৌঁছায় স্পেনটি। ভাসমান ক্রেনটি নোঙর করে পজিশন নিয়ে ইঞ্চি ইঞ্চি মেপে স্প্যানটিকে তোলা হয় পিলারের উচ্চতায়। রাখা হয় দুই পিলারের বেয়ারিং এর ওপর। স্প্যান বসানোর জন্য উপযোগী সময় থাকায় এবং সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় প্রকৌশলীরা স্প্যানটিকে সফলভাবে বসাতে সক্ষম হন।

পদ্মা সেতুর সহকারী প্রকৌশলী হুমায়ন কবির জানান, পদ্মা সেতুর মোট ৪২টি পিলারের মধ্যে বর্তমানে কাজ সম্পন্ন হয়েছে ৩৫টির। সেতুর ২৯৫৯টি রেলওয়ে স্ল্যাবের মধ্যে ইতিমধ্যে ৪১০টি রেল স্ল্যাব বসানো হয়েছে। অন্যদিকে ২৯১৭টি রোডওয়ে স্ল্যাবের মধ্যে ১২৫টি স্ল্যাব বসানো সম্পন্ন হয়েছে।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু করা হয়েছে। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদী শাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো। নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর আগামী ২০২১ সালেই সেতুটি খুলে দেয়ার কথা রয়েছে।