হেড লাইন

ডাক্তারদের প্রাইভেট চেম্বার বন্ধ থাকলে ‘যথাযথ ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি

শেয়ার করুন

মহামারি করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে দেশে ডাক্তারদের প্রাইভেট চেম্বারগুলো বন্ধ থাকলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। আজ শুক্রবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) অনলাইন লাইভ ব্রিফিংয়ে যোগ দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ হুঁশিয়ারি দেন।

জাহিদ মালেক বলেন, ‘নার্স এবং ডাক্তার ভাইদের বলি আপনারা অনেক কাজ করেছেন, আপনারাই সৈনিক, আপনারাই এই সংক্রমণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছেন। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি যে আমাদের কিছু প্রাইভেট হাসপাতালে কাজ কম হচ্ছে। চেম্বারগুলো অনেকাংশে বন্ধ আছে, আমরা সামাজিক মাধ্যমে জানতে পারছি। আমরা নিজেরাও দেখতে পারছি।’

এই সময়ে আপনাদের পিছপা হওয়াটা যুক্তিসংগত নয় জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষের পাশে দাঁড়ান, মানুষকে সেবা দিন। এটাই সময়। আমরা কিন্তু এটা লক্ষ্য করছি। পরবর্তী সময়ে এই বিষয়ে আমরা অবশ্যই যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার, আমরা কিন্তু সেই ব্যবস্থা নিতে পিছপা হবো না।’

তিনি আরও বলেন, ‘পরীক্ষার মাধ্যমে আমরা এই করোনাভাইরাস চিহ্নিত করে আস্তে আস্তে এটাকে নির্মূল করতে পারব। আমাদের কিটসের আপাতত কোনো সংকট নাই। কাজেই পরীক্ষা আপনারা চালিয়ে যাবেন।’

‘পরীক্ষার মাধ্যমে আমরা জানতে পারি কতগুলো ব্যক্তি সামাজিকভাবে সংক্রমিত হয়েছে। এটা খুব জরুরি’ বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

মানুষ এখনো পাড়া-মহল্লায় ঘুরছে- এ ব্যাপারে কী পদক্ষেপ নেবেন? জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যা যা পদক্ষেপ নিয়েছি তা আপনারা জানেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আবারও ছুটি বাড়িয়ে দিয়েছেন এবং শহরে নজরদারি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। আমি আশা করবো যে লোকজন ঘরের ভেতরে থাকবে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখবে।’

‘বেশি বেশি করে পরীক্ষা করবে এবং পরীক্ষা করে নিজের অবস্থানটি উনি জেনে নেবেন। যার মাধ্যমে উনি নিজেও চিকিৎসা পাবেন এবং উনার পরিবার ও আশেপাশের লোকজনের মধ্যে করোনাভাইরাসটি ছড়াবেন না। এটিই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ’ যোগ করেন জাহিদ মালেক।

ব্রিফিংয়ের শুরুতেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, মহামারি করোনাভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচজন আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬১ জনে। দেশব্যাপী করোনায় মারা গেছে মোট ছয়জন। এ ছাড়া ২৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।