সারাদেশ

করোনায় নারায়ণগঞ্জে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬

শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া মাসুদা প্লাজার মালিক চৌধুরী মুহাম্মদ হাসান করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। মঙ্গলবার আইইডিসিআরের দেওয়া রিপোর্টে সেটা উল্লেখ করা হয়। এর আগে সোমবার দিনগত রাত ১২টায় রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ নিয়ে নারায়ণগঞ্জে করোনাভাইরাসে নিহতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৬ এ।
নারায়ণগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ ইমতিয়াজ জানান, আইইডিসিআর থেকে মুহাম্মদ হাসানের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি করোনায় পজেটিভ ছিলেন। ইতিমধ্যে তার পরিবারের সদস্যদের হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে বলা হয়েছে। তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হবে।
নিহতের পরিবার পারিবারিক সূত্রমতে, গত ৬-৭ দিন ধরেই জ্বর, সর্দি সহ আরো কিছু রোগে ভুগছিলেন হাসান। পরে তাকে রোববার রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে সোমবার দিনগত রাতে তিনি মারা যান।

এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে শহরের চাষাঢ়ায় মাসুদা প্লাজার ওই ভবনের সামনে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে লাল পতাকা টানিয়ে দেয়া হয়েছে যাতে কেউ ওই ভবনে না যায় এমন কেউ বের না হয়। এসময় ছিল সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শেখ মোস্তফা আলী ও স্থানীয় কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ।
কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে লাশ আইইডিসিআরের তত্ত্বাবধানে খিলগাঁওয়ের তালতলা কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশে পুরো শহর লকডাউন করা হয়েছে। যার জন্য সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে মৃত ব্যক্তির পরিবারের ৬জন সদস্যকে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেকোন প্রয়োজনে আমাদের জানালে আমরা তাদের সহযোগিতা করবে এ মর্মে আমাদের ফোন নাম্বারও দিয়ে আসা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, জেলায় এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৩৮ জন। যাদের মধ্যে মারা গেছেন ৬ জন। গত চব্বিশ ঘন্টায় নমুনা পরীক্ষায় ১৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। আইইডিসিআর এই জেলাটিকে করোনা ক্লাস্টার বলে চিহ্নিত করেছে