সারাদেশ

আম্ফানের জন্য বাগেরহাটে প্রস্তুত ৩৪৫টি আশ্রয়কেন্দ্র

শেয়ার করুন
 

বিডি রিপোর্ট টোয়েন্টিফোর ডটকম :

দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’আজ মঙ্গলবার রাতে দেশের উপকূলীয় জেলাগুলোতে আঘাত হানাতে পারে।

এমন খবরে জেলার ৯টি উপজেলায় ৩৪৫টি আশ্রয়কেন্দ্রের পাশাপাশি সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সম্ভাব্য ক্ষয়-ক্ষতি এড়াতে উপকূলীয় উপজেলাগুলোতে  সতর্ক করে চলছে মাইকিং।সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে উপকূলীয় উপজেলা শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ, রামপাল ও মোংলা উপজেলার মানুষ।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ মোকাবেলায় বাগেরহাটের জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।  জেলা উপজেলায় খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। প্রস্তুত রয়েছে মেডিকেল টিম ও রেডক্রিসেন্ট-সিপিপিসহ সেচ্ছাসেবকরা।মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষও ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

বর্তমানে মোংলা বন্দরের আউটার এ্যংকরেজে অবস্থানরত জাহাজে পণ্য ওঠানামার কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বন্দরের হারবার বিভাগ।করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যে ঘূর্ণিঝড় ধেয়ে আসার খবরে গত দুইদিন ধরে বাগেরহাটের জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির ও উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভা করেছে। ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানলে ক্ষয়ক্ষতি যাতে কম হয় সেজন্য আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশিদ জানান, এবার করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে যাওয়ায় জেলার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আগের মতো লোক গাদাগাদি করে রাখা যাবে না। সবাইকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই  আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে রাখতে হবে।

সেজন্য ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রেগুলোর পাশাপাশি সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাকা ভবনগুলো এবার আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে। জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভা করে এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে জেলার সব উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সকল স্বেচ্ছাসেবকদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে।