মনপুরার হাজির হাট বাজারে আগুনে ৯টি দোকান আগুনে পুড়ে ছাই ॥ ৮০ লক্ষ টাকার ক্ষতি

SHARE

মোঃ ছালাহউদ্দিন,মনপুরা (ভোলা) সংবাদদাতা ॥ মনপুরা উপজেলার প্রধান বাজার হাজির হাট বাজারে রবিবার সকাল সাড়ে ৭টার সময় আগুন লেগে ৯টি দোকান ঘর পুড়ে সম্পুর্ন ছাই হয়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় জনতার সহযোগীতায় ১ ঘন্টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রনে আসে। ঘটনা শুনার সাথে সাথেই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও আ’লীগ সভাপতি মিসেস শেলিনা আকতার চৌধুরী,উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সোহাগ হাওলাদার ও মনপুরা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহিন খান দ্রুত ঘটনা স্থলে এসে আগুন নিবানোর কাজে সার্বিক সহযোগীতা করেন।

হাজির হাট বাজার আগুনে পুড়ে যাওয়ায় গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন পরিবেশ ও বন উপমন্ত্রী আবদুল্রাহ আল ইসলাম জ্যাকব। তিনি আ’লীগের সকল নেতাকর্মীদের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাবসায়ীদের পাশে দাড়ানোর জন্য বলেন। ক্ষতিগস্ত ব্যাবসায়ীদের খোজ খবর নেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দেন।

ঘটনা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,বাজার ব্যাবসায়ী মোবাল দোকানদার মোঃ আব্বাস এর ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। আগুন লাগার সাথে সাথে পুরো ঘরটি আগুনে ফুড়ে যায়। মুহুর্তের মধ্যে আগুন পাশের দোকান ঘরগুলোতে লেগে যায়। আগুনের তীব্রতায় ৮টি দোকান ঘর সম্পুর্ন পুড়ে গিয়েছে। পুড়ে যাওয়া ঘরগুলো হলো আব্বাসের মোবাইল সার্ভিসিং,মোঃ জাফরের ফুলকলি চায়ের দোকান,ফারুক গার্মেন্টস,তারেক স্টোর,চানমিয়া গার্মেন্টস,আঃ রহমানের ফলের দোকান,মোঃ হাসানের ফলের দোকান,হোসেন এর গার্মেন্টস।এছাড়াও ঐ দিন রাত ৩টার দিকে মুকুল বেকারীতে আগুন লেগে সম্পুর্ন ঘরটি পুড়ে যায়। তবে ধারনা করা হচ্ছে ক্ষয় ক্ষতির পরিমান ৮০ লক্ষাধিক হবে।

আগুন লাগার কথা শুনার সাথে সাথে ফায়ার সার্ভিস এসে ১ ঘন্টা চেষ্ঠা করে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনেন। এব্যাপারে ফায়ার সার্ভিস ইনচার্জ মোঃ জসিমউদ্দিন জানান,রাত ৩টার দিকে এসে মুকুল বেকারীর আগুন নিয়ন্ত্রনে আনি। আবারও সকাল সাড়ে ৭টায় আগুন লাগার কথা শুনে দ্রত বাজারে এসে ১ ঘন্টার চেষ্ঠার পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আসে। বর্তমানে পরিবেশ শান্ত রয়েছে।

মনপুরা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহীন খান মাইকিং করে আগুন নিয়ন্ত্রন আনার জন্য বাজার ব্যাবসায়ীদের সার্বিক সহযোগীতা করার জন্য প্রচার অভিযান করেন। তার ডাকে সাড়া দিয়ে বাজার ব্যাবসায়ীদের পাশাপাশি স্থানীয় জনতা বালতি দিয়ে পানি এনে আগুন নিবানোর কাজে সহযোগীতা করেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সোহাগ হাওলাদার ঘটনা স্থল এসে সরজমিনে পরিদর্শন করেন।

মনপুরা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও আ’লীগ সভাপতি মিসেস শেলিনা আকতার চৌধুরী হাজির হাট বাজারে এসে ব্যাবসায়ীদের পাশে দাড়ান। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাবসায়ীদের সার্বিক সহযোগীতা করার আশ্বাস দেন।

আগুন নিবানোর কাজে বাজার ব্যাবসায়ীদের পাশাপশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি,স্থানীয় জনতা,বিভিন্ন সংগঠনের লোকজন সহযোগীতা করেন।

হাজির হাট বাজারে আগুন লাগার খবর শুনে আ’লীগ ও বি এনপি নের্তৃবৃন্দ দ্রুত ঘটনা স্থলে আসেন। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ ছালাউদ্দিন হেলাল,হাজির হাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শাহরিয়ার চৌধুরী দ্বিপক,উপজেলা বি এন পি সভাপতি আলহাজ্ব শামসুউদ্দিন বাচ্চু চৌধুরী,দক্ষিন সাকুচিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব অলিউল্যাহ কাজল,উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ জাকির হোসেন,মনপুরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আমানত উল্যাহ আলমগীর,সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আলউদ্দিন হাওলাদার,উপজেলা যুবলীগ যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মোঃ মোশারফ হোসেন মজনু ফরাজী,প্রেসক্লাব সাবেক সভাপতি হাওলাদার আমির,প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ আরমগীর হোসেন,ছাত্রলীগ সভাপতি মোঃ শামসুউদ্দিন সাগর,সাধারন সম্পাদক মোঃ সুমন ফরাজীসহ বিভিন্ন সংগঠনের নের্তৃবৃন্দ ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকদের খোজ খবর নেন।