চিলাহাটি-হলদিবাড়ী রেলপথ কাজ কবে শুরু হবে ?

SHARE

বখতিয়ার ঈবনে জীবন,ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ কবে শুরু হবে চিলাহাটি হলদিবাড়ী রেলপথ কাজ। গত ২ বছর ধরে চিলাহাটি- হলদিবাড়ী রেলপথ কাজ শুরু করার জন্য বহুবার জরিপ এবং উচ্চ পর্যায় কর্মকর্তা পরিদর্শন করেছে, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার চিলাহাটি ও ভারতের কুচবিহার জেলা হলদিবাড়ী রেলপথ ১৯৪৭ সালের পর চালু হয় যাহা ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত চালু ছিল। পাক ভারত যুদ্ধের সময় এ রেলপথে আর রেল চলেনি। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর, বীরল, দর্শনা, খুলনা ও ঢাকার সঙ্গে ভারতের ট্রেন যোগাযোগ চালু হইলেও গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং সল্প যোগাযোগ স্থাপন কারী চিলাহাটি সঙ্গে হলদিবাড়ী রেলপথ চালু হয়নি। ১৯৫৩ সালে চিলাহাটি থেকে শুল্ক স্থলবন্দর চালু হইলেও চিলাহাটি- হলদিবাড়ীর মধ্যে একটি পাসপোট ট্রেন চালু ছিল, যাহা ১৯৬৫ সালে যুদ্ধের পর বন্ধ হয়ে যায়। এর পরও এমিগ্রেশন রুঢ চালু ছিল চিলাহাটি দিয়ে, এই পথে অনেক বিদেশিসহ বহু লোক প্রতিদিন যাতায়াত করতো, কিন্তু দুঃখের বিষয় ভারত সরকার তথা (পশ্বিম বাংলা সরকার) ২০০৪ সালে বিনা কারনে বন্ধ করে দেয় পাসপোট ধারী যাত্রীদের যাওয়া আসা। বাংলাদেশ চিলাহাটি- হলদিবাড়ী রেল পথ কবে কাজ শুরু হবে, তাহা জনগন জানতে চায়। বাংলাদেশ থেকে ভারত যাওয়া, এমিগ্রেশন স্থল বন্দর ও ট্রেন চলাচল চালুু হল, কিন্তু চিলাহাটি বাসী তথা নীলফামারী মানুযের ভাগ্যে তাহা জুটেনি। চিলাহাটি শুল্ক স্থল বন্দর চালুর জন্য এলাকার মানুষ বহুদিন ধরে দাবী জানিয়ে আসছে, কিন্তু তাহা আজও কার্যকারী হয়নি। অথচ নতুন করে অনেক বছর পর পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা ২০১৬ সালের ফ্রেব্রুয়ারী মাসে স্থলবন্দর ও এমিগ্রেশন রুঢ চালু হল। চিলাহাটি- হলদিবাড়ী রেলপথ স্থলবন্দর ও এমিগ্রেশন রুঢ বাংলাদেশে যে কোন শুল্ক স্থলবন্দরের চেয়েও সুবিধা জনক অবস্থানে রয়েছে। রেলষ্টেশন, অবকাঠামো পুলিশ ফাড়ি, বিজিবি ফাড়ি, কাষ্টম অফিস, ব্যাংক সবই রয়েছে, তাছাড়া রেলপথ ও সড়ক যোগাযোগ ঢাকা, খুলনা, রাজশাহী সহ দেশের অন্যন্য এলাকায় সল্প সময়ে যাওয়া আসার সুবিধা রয়েছে। এই রেলপথ স্থলবন্দর ও এমিগ্রেশন রুঢ চালু হইলে সরকারের প্রচুর রাজস্ব আয় হবে। অন্য দিকে নীলফামারীর এই অবহেলিত এলাকার সাধারন মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন হবে, উন্নয়ন হবে রাস্তা-ঘাট, সাঁকো,ব্রিজ ও অবকাঠামোর । কিন্তু মনে হয় প্রধান মন্ত্রী ও আমাদের কাছের মানুষ পররাষ্ট্র মন্ত্রী কেউ বিষয়টি উপলদ্বী করেনি। চিলাহাটি থেকে ভারতের হলদিবাড়ী রেলপথ চালু হইলে এই পথে বেনাপলের পর যাত্রী সংখ্যা দ্বিতীয় স্থান দখল করবে বলে আসা করে এলাকার মানুষ, কারন এই পথে যাতায়াত ব্যবস্থা খুবই সুবিধা জনক। তাছাড়া বিদেশিরা আগে থেকেই এই পথে যাতায়াত করতো কারন বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে দার্জিলিং ১০০ কি.মি, নেপাল ৮০ কি.মি ও ভূটান ৭০ কি.মি মধ্যে। বাংলাদেশ ভারত রেলপথ যোগাযোগের জন্য ভারত গত ৫ই নভেম্বর হলদিবাড়ী থেকে ভারত সীমান্তে ৩.৫০ কি.মি রেলপথ চালুর কাজ শুরু করেছে। অথচ বাংলাদেশ থেকে ৬.৫০ কি.মি রেলপথ চালুর কাজ আজও শুরু হয়নি, কবে শুরু হবে তা আজও অজানা।