বিড়ির উপর অতিরিক্ত করারোপে পাবনায়  বিড়ি শ্রমিকদের মানববন্ধন

SHARE

আর কে আকাশ, বাংলার মুখ : বিড়ি শিল্প রক্ষায় আগামী ডিসেম্বরে ঢাকায় মহাসমাবেশের ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আমিন উদ্দিন বিএসসি। বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের উদ্যোগে বিড়িতে অযুক্তিক করারোপ ও মাত্রাতিরিক্ত কর বৃদ্ধির প্রতিবাদে পাবনা প্রেসক্লাবের সামনে এক বিশাল মানববন্ধন ও সমাবেশে তিনি এই ঘোষণা দেন।

সমাবেশে আমিন উদ্দিন বলেন, বিড়ির উপর ট্যাক্স কমাতে হবে। শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি করতে হবে। সরকার ঘোষিত শ্রমিকদের বিকল্প কাজের ব্যবস্থাও করেনি। সরকারের ভিতর লুকিয়ে থাকা কতিপয় একটি মহল বিড়ি শিল্পটিকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করছে। আর এই ষড়যন্ত্র রুখতে দেশের সকল শ্রমিকদের নিয়ে আগামী ডিসেম্বর মাসে ঢাকায় একটি মহাসমাবেশ করা হবে। তিনি আরো বলেন, বেশি ট্যাক্স হওয়ায় শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য মূল্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই বিড়ি শিল্পটিকে রক্ষায় কুচক্র মহলটি আমাদেরকে কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য করছে।

সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দর রহমান বলেন, বিড়ি শিল্প ধ্বংস করে সিগারেটকে বাজার দখলে সহায়তা করছে এনবিআর। যেখানে দেশীয় শিল্প রক্ষায় সরকার এগিয়ে আসবে; সেখানে বিড়ি শিল্পকে ধ্বংসের পায়তারা করা হচ্ছে। বিড়ির উপর কেন এত ট্যাক্স বসাতে হবে? অঅমরা দিক্ক্ার জানাই যারা সিগারেট রক্ষায় ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকেকে সহযোগিতা করছে।

মানববন্ধন ও সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এস.কে. বাঙালী, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক হারিক হোসেন, বাংলা বিড়ি কোম্পানীর ম্যানেজার শাহাদৎ হোসেন, ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শামিম ইসলাম, গোলাম মোস্তফা, স্থানীয় বিড়ি শ্রমিক নেতা দুলাল সেখ, নূরুল ইসলাম ও মুন্তাজ আলী।

বক্তারা বলেন, বিড়িতে অযুক্তিক করারোপ ও মাত্রাতিরিক্ত কর বৃদ্ধির কারণে আজ বহু বিড়ি শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে পড়েছে অনেক প্রতিষ্ঠান রুগ্ন শিল্পে পরিণত হয়েছে, ফলে বেকার হয়ে পড়েছে হাজার হাজার শ্রমিক। বর্তমানে একটি বহুজাতিক বিদেশী সিগারেট কোম্পানী উন্নতমানের সিগারেট কমদামে বিক্রি করে একদিকে বিড়ির বাজার দখল করছে, অন্যদিকে সরকারকে মোটা অংকের কর ফাঁকি দিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাঁচার করছে। বক্তারা অবিলম্বে বিড়িতে অযুক্তিক করারোপ ও মাত্রাতিরিক্ত কর প্রত্যাহারের জোর দাবী জানান।