আরও ৫০ হাজার টন চিনি আমদানির অনুমোদন

SHARE

বাজার নিয়ন্ত্রণ ও ঘাটতি মেটাতে আরও ৫০ হাজার (১০ শতাংশ বেশি অথবা কম) মেট্রিক টন চিনি আমদানি করবে সরকার। আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে এ চিনি আমদানি করা হবে।

বুধবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে সভায় কমিটির অন্যান্য সদস্য ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর ৫০ হাজার মেট্রিক টন চিনি আমদানির অনুমোদন দেয় সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রতি মেট্রিক টন ৪৬৫.২৭ মার্কিন ডলার দরে এ চিনি ক্রয় করা হবে। এতে সরকারের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২৬৩ কোটি ২৭ লাখ ১০ হাজার টাকা।

তিনি আরও বলেন, সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান মেসার্স এগ্রোকর্প ইন্টারন্যাশনালের সহায়তায় মেসার্স গ্লোবোপিউ ইম্পোর্ট এক্সপোর্ট লিমিটেড এ চিনি সরবরাহ করবে।

শিল্পমন্ত্রণালয় সূত্র মতে, ঘাটতি মেটাতে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনকে (বিএসএফআইসি) ১ লাখ মেট্রিক টন চিনি আমদানির অনুমতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সে মোতাবেক আরও ৫০ হাজার মেট্রিক টন চিনি আমদানি করতে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়।

বিএসএফআইসি সূত্র মতে, চলতি নভেম্বর মাসের ২ তারিখ পর্যন্ত দেশে চিনি মজুদের মোট পরিমাণ ছিল ৩৬ হাজার ৫৬৬ মেট্রিক টন।

এরমধ্যে সশস্ত্র বাহিনীসহ পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও অন্যান্য বাহিনীর রেশনের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে ২০ হাজার ২০২ মেট্রিক টন। ফলে বিতরণযোগ্য চিনির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৩৬৪ মেট্রিক টনে।

এ চিনি বাজার নিয়ন্ত্রণসহ জরুরি প্রয়োজন মেটাতে পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করছে বিএসএফআইসি।

এছাড়া চলতি বছরে অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারণে আখ উৎপাদন ব্যাহত হবার আশঙ্কা করছে বিএসএফআইসি। ফলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা নানা অজুহাতে চিনির দাম বৃদ্ধির চেষ্টা করতে পারেন। তাই বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগভাগেই চিনি আমদানির সিদ্বান্ত নিয়েছে সরকার।