মাদারীপুরে ভুয়া পিতা সাজিয়ে জমি দলিল।। এলাকায় তোলপাড়

SHARE

মাদারীপুর প্রতিনিধি।। মাদারীপুরের কালকিনিতে আবদুল ছত্তার মাতুব্বর নামের এক প্রতারক পুত্র এক বৃদ্ধকে ভুয়া পিতা সাজিয়ে ১ একর ৫৫ শতাংশ জমির দলিল কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন। তবে মোহরী এনামুল প্যাদের মাধ্যমে এ দলিলের কার্যক্রম গোপনে সম্পন্ন করা হয়েছে বলে অভিযোগে জানাযায়। এ ঘটনা জানাজানি হলে ওই পুত্রের বিরুদ্ধে জমির মুল মালিক পিতা আজাহার মাতুব্বর আদালতে একটি প্রতারনা মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড়া সৃষ্ঠি হয়েছে।

ভুক্তভোগীর পরিবার, মামলা ও এলাকা সুত্রে জানাগেছে, উপজেলার গোপালপুর এলাকার ধজী গ্রামের বৃদ্ধ আজাহার মাতুব্বরের পূয়ালী, পূর্বমাইজপাড়া ও ধজী মৌজায় মোট ১ একর ৫৫ শতাংশ জমি রয়েছে। কিন্তু সেই জমি আজাহার মাতুব্বরের বড় ছেলে ছত্তার মাতুব্বর প্রতারনার আশ্রায় নিয়ে একই এলাকার আবদুল মজিদ খন্দকারকে ভুয়া পিতা সাজিয়ে গত ০৯-০৯-১৫ইং সালে গোপনে কালকিনি সাব-রেজিঃ অফিসে দলিল লেখক এনামুল প্যাদার মাধ্যমে দলিল কার্যক্রম সম্পন্ন করে। দলিল নং-৪১৮৫/০৯-০৯-১৫ইং। এ বিষয়টি হঠাৎ করে এলাকাবাসির মাঝে ফাঁস হয়ে যায়। পরে জমির মুল মালিক আজাহার মাতুব্বর জমি ফেরত পেতে নিজে বাদী হয়ে ওই পুত্রের বিরুদ্ধে মাদারীপুর আদালতে একটি প্রতারন মামলা দায়ের করেন। তবে এ ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর থেকেই প্রতারক ছেলে ছত্তার এলাকায় গা ঢাকা দিয়েছে।

দলিল লেখক এনামুল প্যাদা বলেন, আমার কাছে প্রতারক ছত্তার মজিদ খন্দকার নামের এক বৃদ্ধকে আজাহার মাতুব্বর সাজিয়ে নিয়ে আসে। তখন আমি বিষয়টি অবগত ছিলাম না। তবে এখন প্রতারনার বিষয়টি জানতে পরেছি। প্রমান হিসেবে আমার কাছে মজিদের ছবি রয়েছে।

এ বিষয়টি নিয়ে মজিদ খন্দকারের বাড়ি গিয়েও জানতে চাইলে তাকে পাওয়া যায়নি।

জমির মুল মালিক আজাহার মাতুব্বর বলেন, আমি জমি ফেরত পাওয়ার জন্য আদালতে জালিয়াতি মামলা করেছি। মজিদ খন্দকার ভুয়া পিতা সেজে এ কাজটি করেছে। প্রতারকদের বিচার চাই।

অভিযুক্ত ছেলে ছত্তার মাতুব্বরের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ হাফিজুর রহমান বলেন, এ ব্যাপারে আমি অবগত নই। এখন জানলাম।