লক্ষ্মীপুরে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষক আটক

SHARE

কবির হোসেন, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরের নন্দনপুর কাদেরিয়া দাখিল মাদ্রাসার পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণীর দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে ওই প্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শনিবার দুপুরে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও অভিবাবকদের প্রতিবাদ বিক্ষোভের মুখে অভিযুক্ত শিক্ষক ইমাম হোসেনকে পুলিশে সোপর্দ করে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।

অভিযুক্ত শিক্ষক ইমাম হোসেন নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার খানপুর গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে এবং সদর উপজেলার নন্দনপুর কাদেরিয়া দাখিল মাদ্রাসার কৃষি শিক্ষা বিষয়ের সহকারী শিক্ষক। এর আগে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ যৌন হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে দুই দফায় কারণ দর্শানোর জন্য নোটিশ প্রদান করেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী, অভিভাবকরা ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, মাদ্রাসার অভ্যান্তরে প্রাইভেট পড়ানো নামে কৃষি শিক্ষা বিষয়ের সহকারী শিক্ষক ইমাম হোসেন দীর্ঘদিন যাবত ছাত্রীদের নানাভাবে উক্ত্যাক্ত ও যৌন হয়রানি করে আসছিল। সম্প্রতি ৫ম ও অষ্টম শ্রেণীর দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করে অভিযুক্ত শিক্ষক।

এ ঘটনায় গত ২৩ সেটেম্বর ভিকটিম ছাত্রীরা মাদ্রাসার সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করে। এরই আলোকে গত ৪ অক্টোবর ও ১৫ অক্টোবর আলাদাভাবে মাদ্রাসার সুপার আতিকুর রহমান অভিযুক্ত শিক্ষককে জবাব দাখিলের জন্য দুই দফা কারন দর্শানোর নোটিশ দেন। কিন্তু জবাব সন্সোষজনক না হওয়ায় শনিবার বিক্ষুব্দদের তোপের মুখে অভিযুক্ত শিক্ষককে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ পুলিশের হাতে তুলে দেন।

এ ব্যাপারে মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সৈয়দ আবুল কাশেম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সাংবাদিকদের জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক ইমাম হোসেনকে পুলিশে সোর্পদ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

লক্ষ্মীপুর সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লোকমান হোসেন সাংবাদিকদের জানান, অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগের আলোকে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।