লজ্জার ইতিহাস গড়ল রিয়াল…!

32 Views
SHARE

২৯ মিনিটে আরেকটি সুযোগ পেয়েও পোস্টের পাশ দিয়ে বল পাঠিয়েছেন রোনালদো। পরের মিনিটেও আরেকটি সুযোগ পেয়েছিলেন রোনালদো। ৩২ মিনিটে পরিষ্কার পেনাল্টি পেয়েছিল রিয়াল। কিন্তু রেফারি ও লাইন্সম্যান দুজনের চোখই কীভাবে যেন দেখতে পেল না ডিফেন্ডারের হাতে বল লাগানো। ৪৪ মিনিটেও আরেকটি পরিষ্কার পেনাল্টি থেকে বঞ্চিত হয়েছে রিয়াল। ডান প্রান্ত থেকে ইস্কোর পাসে শট নিয়েছিলেন রোনালদো। মাত্র কয়েক ফুট দূর থেকেই সেটা ঠেকিয়ে দিয়েছেন এসেনহো। তবে রিপ্লেতে দেখা গেছে, রোনালদোকে বলের দিকে দৌড়ানো অবস্থায় ফাউল করা হয়েছিল। কিন্তু এবারও রেফারির দৃষ্টি এড়িয়ে গেছে ঘটনাটি।

দ্বিতীয়ার্ধেও একই রকম চলেছে ম্যাচের গল্প। রিয়াল আক্রমণ করছে, বারবার গোল বাঁচিয়ে দিচ্ছেন এসেনহো। ৫১ মিনিটে ক্রুসের আরেকটি শট ঠেকিয়ে দিয়েছেন ভিয়ারিয়াল গোলরক্ষক। ৬৯ মিনিটেই জিদান অবাক করে দিলেন সবাইকে। রিয়ালের আক্রমণভাগে যে দুজন সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলছিলেন, সেই ইস্কো ও বেলকে তুলে নিলেন। সে জায়গায় নামলেন এসেনসিও ও লুকাস ভাসকেজ। দুই উইং ব্যবহার করে আক্রমণের পরিকল্পনা। কিন্তু এ দুজনকে ঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলে তো!

টনি ক্রুস ও মার্সেলো প্রায় প্রতিটি আক্রমণকেই বাধাগ্রস্ত করেছেন নিজেদের মধ্যে বল দেওয়া নেওয়া করে। বারবার ভালো পজিশনে চলে যাওয়ার পরও এসেনসিও-ভাসকেজ বল পাচ্ছিলেন না। মার্সেলো ঠিক কত গুলো ক্রস করতে গিয়ে বল নষ্ট করেছেন সেটি পরে আর গোনা যাচ্ছিল না। ক্রুসও অসংখ্য কর্নার পাওয়ার পরও রোনালদো কিংবা অন্য কাউকে ভালো কোনো সুযোগ সৃষ্টিতে ব্যর্থ হয়েছেন। এমনই এক কর্নার থেকে পাওয়া বলেই ৮৭ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে উঠে ভিয়ারিয়াল। ফাঁকায় বল পাওয়া উনাস এনেলের প্রথম শট নাভাস ঠেকালেও দ্বিতীয় শট আর ঠেকাতে পারেননি। পাবলো ফরনালসকে আটকানোর দায়িত্ব যার, সেই ভারানে তো তখনো প্রতিপক্ষের অর্ধে। কিংবা রক্ষণে সহযোগিতা করতেই সেবায়োস কিংবা কোভাচিচের মতো মিডফিল্ডারের পরিবর্তে জায়গা পান যিনি, সেই কাসেমিরোরও দেখা পাওয়া যায়নি।

ও, এমন এক ম্যাচেও তৃতীয় কোনো খেলোয়াড়কে বদলি নামাননি জিদান। বোর্হা মায়োরাল কিংবা কোভাচিচরা তাই বেঞ্চে বসে বসে ভিয়ারিয়ালের ইতিহাস গড়াই দেখলেন। কে জানে, জিদানও হয়তো ইতিহাস গড়তে যাচ্ছেন। ক্লদিও রানিয়েরির পর ফিফার বর্ষসেরা কোচ নির্বাচিত হওয়ার মৌসুমেই ছাঁটাই হয়ে!