SHARE

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, চাঁদপুর একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এ জেলার পদ্মা-মেঘনা নদীগুলো খনন করে মানুষের লঞ্চে যাতায়াত স্বাভাবিক করার জন্য ইতোমধ্যে নদী খননের কয়েকটি প্রকল্প চালু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সবগুলো নদী খনন করা হবে। বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুর স্টেডিয়াম মাঠে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ৩ দিনব্যাপী উন্নয়ন মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় তিনি জেলে মানিক ও কৃষক মিজানুর রহমানের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন। প্রধানমন্ত্রী জেলেদের উদ্দেশে বলেন, কারেন্টজাল তৈরী কারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। জেলে পরিবারের পুনর্বাসনসহ তাদের সন্তানদের শিক্ষিত করে আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ শিকার করার জন্য গড়ে তুলতে হবে। কারণ, এখন ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তির টাকা সরাসরি তাদের মোবাইলে চলে যাচ্ছে। বছরের শুরুতে বিনামূল্যে বই দেয়া হচ্ছে। এতে করে জেলেদের সন্তান শিক্ষিত হওয়ার জন্য কোনো সমস্যা নেই। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বন্যায় ফসলের ক্ষতি, আলু সংরক্ষণের অভাবে ও ন্যায্য মূল্য পাওয়ার দাবিতে কৃষক মিজানুর রহমানের বক্তব্যের জবাবে তিনি কৃষকদের উদ্দেশে বলেন, আলু সংরক্ষণের চেয়ে প্রক্রিয়াজাতকরণের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। আলু দিয়ে অনেক কিছু তৈরি করা যায়। এসব পণ্য দেশীয় বাজারে বিক্রি করা যাবে। আমরা এখন প্রক্রিয়াজাতকরণের প্রতি দৃষ্টি দেব।

চাঁদপুরে পরিকল্পিতভাবে পর্যটন শিল্প গড়ে তুলতে পারেন। কারণ পর্যটন শিল্পে নৌ-ভ্রমণ খুবই আনন্দদায়ক। ইচ্ছে করলে জাহাজে করে পরিবারসহ এসে ভ্রমণ করে সহজেই গন্তব্যে চলে যেতে পারবেন। চাঁদপুরে যে পদ্মা-মেঘনার মিলনস্থল তা দেখার জন্য আমরা ছোট বেলায় আগ্রহসহ অপেক্ষায় থাকতাম। চাঁদপুর ঘাটে জাহাজ এলে হাড়িতে করে মিষ্টি আনা হত। পেট চুক্তি খাবার ছিল। তবে জাহাজের হুচাল দিলে খাবার রেখে অনেকে চলে যেত জোগস করেন- প্রধানমন্ত্রী।

চাঁদপুরের সার্বিক উন্নয়নের মধ্যে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সবুর মন্ডল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক ও চাঁদপুর-৩ এর সাংসদ ডাঃ দিপু মনি এমপি।

41 Views