SHARE

চলতি বছর হজে যাওয়ার এখনো সুযোগ রয়েছে। এ বছর হজে যেতে চাইলে সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রাক-নিবন্ধন করতে হবে।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রাক-নিবন্ধনের কোটা এখনো পূরণ হয়নি। তাই সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রাক-নিবন্ধন করে এ বছর হজে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তথ্য কর্মকর্তা আনোয়ার হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ২০১৮ সালে বেসরকারিভাবে হজে যাওয়ার কোটা পূরণ হয়ে গেছে। প্রাক-নিবন্ধন শেষ হয়ে গেছে অনেক আগেই। কিন্তু সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের কোটা এখনো খালি রয়েছে। সরকারি ব্যবস্থপনায় হজে যাওয়ার জন্য ৩১ জানুয়ারির মধ্যে প্রাক-নিবন্ধন করতে হবে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিবন্ধনকারীরা সরকারি কোটায় এ বছর হজে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।

ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে হজে যাওয়ার জন্য বেসরকারি ব্যবস্থাপনার প্রাক-নিবন্ধনের কোটা ইতিমধ্যেই পূরণ হয়ে গেছে। হজ এজেন্সিদের মাধ্যমে এই কোটা পূরণ করা হয়। তবে এ বছর হজে যাওয়ার জন্য এখনো সরকারি কোটা খালি রয়েছে। কেউ যেতে চাইলে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রাক-নিবন্ধন করতে হবে।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাওয়ার প্রাক-নিবন্ধন করতে হবে আশকোনা হজ অফিস কিংবা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের যেকোনো শাখা অফিসে। তাছাড়া দেশের জেলা প্রশাসক কার্যালয় ও ইউনিয়ন তথ্যসেবা কেন্দ্রসমূহেও যোগাযোগ করে নিবন্ধন করা যাবে।

সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাওয়ার প্রাক-নিবন্ধনের কথা জানিয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয় হজ গমনেচ্ছুকদের জন্য এক জরুরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ‍ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা বিজ্ঞপ্তিতে সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রাক-নিবন্ধনের সময় তারিখ, স্থান এবং নিবন্ধনের সুযোগ-সুবিধা বিস্তারিত বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়, সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে গমনেচ্ছুকদের জন্য যথাসময়ে ভিসা, টিকিট প্রাপ্তির নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে সুন্দরভাবে হজে গমন, সুচারুরূপে হজ পালন, মদিনা শরিফে চল্লিশ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের ব্যবস্থাসহ সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরার নিশ্চয়তা রয়েছে। তাছাড়া মিনায় জামারার নিকটবর্তী স্থান ও আরাফায় মসজিদে নামিরার খুব কাছে তাঁবুতে অবস্থান, মেট্রোরেল ও উন্নতমানের বাসে মিনা, আরাফা, মুজদালিফায় যাতায়াতসহ প্রশিক্ষিত গাইডের অধীনে হজ পালনে সহায়তার সুযোগ, এ-প্যাকেজে হাজিদের হারাম শরিফ থেকে ৫০০ থেকে এক হাজার মিটারের মধ্যে, বি-প্যাকেজের হাজিদের এক হাজার থেকে দুই হাজার মিটারের মধ্যে এবং মদিনা শরিফে মসজিদে নববীর নিকটবর্তী উন্নতমানের হোটেল ও বাড়িতে অবস্থানের নিশ্চয়তা রয়েছে। বিশেষ করে, মক্কা আল মোকররমা এবং মদিনা আল মোনাওয়ারায় একই হোটেল ও বাসাবাড়িতে অবস্থানের সুযোগ ও অভিজ্ঞ ডাক্তার দ্বারা চিকিৎসাসেবা ছাড়াও হজ পালনের জন্য হজ পুস্তিকা, গাইডসহ অন্যান্য সামগ্রী বিনামূল্যে সরবরাহ করা হবে।

সর্বশেষ প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী জানা গেছে, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২ লাখ ১৯ হাজার ৬৪৯ জন এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬ হাজার ৫৭৬ জনের প্রাক-নিবন্ধিত হয়েছেন। গত বছর এক লাখ ১২৭ হাজারের কিছু বেশি কোটা ছিল।

চলতি বছর হজের কোটা বাড়াতে সরকারিভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন থেকেও কোটা বাড়ানোর দাবি রয়েছে।

হাবের মহাসচিব শাহাদাত হোসেন তসলিম জানান, দেশের জনসংখ্যানুপাতে ১ লাখ ৬৩ হাজার হজযাত্রীর কোটা আমরা চেয়েছি। কোটা বাড়ানোর চেষ্টা করছি। সরকারও এ বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

হজচুক্তি করতে ১২ জানুয়ারি শুক্রবার ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের নেতৃত্বে সরকারের একটি প্রতিনিধি দল সৌদি আরব যাওয়ার কথা রয়েছে।

26 Views