SHARE

বছরের প্রথম রাতেই আতঙ্ক- জোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, আসছে বছরের প্রথম রাতেই অর্থাৎ ১ জানুয়ারি রাতে বিশ্ববাসীর সামনে বড় আকারে দেখা দেবে চাঁদ। যাকে বলা হয়ে থাকে ‘সুপারমুন’। অবশ্য বছরের প্রথম দিনেই এমন মহাজাগতিক ক্ষণ নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে রয়েছে নানা কুসংস্কার। বছরের প্রথম রাতে চাঁদের এমন পরিণতিকে ভালো চোখে দেখেন না পশ্চিমারা। পশ্চিমের মানুষেরা বছরের প্রথম দিনের পূর্ণিমাকে অশুভ বলে মনে করে থাকেন। তাদের মতে বিশেষ ওই রাতে ওয়্যার উলফ বা নেকড়ে মানবের আবির্ভাব হয়।

যদিও বিজ্ঞান এসব ধারণাকে ভ্রান্ত বলেই বরাবর জানিয়ে আসছে।

পৃথিবীকে আবর্তনের সময় স্বাভাবিকভাবেই চাঁদ বিশেষ কিছু সময়ে খুব কাছে চলে আসে। বছর প্রথম দিন হলেও চাঁদ স্বাভাবিক গতিতেই পৃথিবীর খুব কাছে চলে আসছে বলে জানিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। জ্যোতি র্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, পৃথিবীর প্রায় সব স্থান থেকেই সুপারমুন দেখা যাবে। সাধারণত পূর্ণিমার দিনে চাঁদ সম্পূর্ণ গোলাকার দেখা গেলেও সুপারমুনের সময় আকারে সেটিকে অনেকটাই বড় মনে হয়। পৃথিবীর অনেকটা কাছে চলে আসায় চাঁদকে অন্য সময়ের তুলনায় ১৪ থেকে ৩০ ভাগ বড় দেখা যায়।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, জানুয়ারি ১ তারিখে ছাড়াও মাসের শেষ দিনেও দেখা মিলবে সুপারমুনের। অর্থাৎ ৩১ জানুয়ারি আবারও পৃথিবীর মানুষেরা চাঁদকে বড় আকারে দেখবে।

তবে ভয়ের আশঙ্কাটা সেদিনই বেশি। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, সেই রাতে চাঁদের বুকে নীল রংয়ের ছায়া দেখা যাবে। একারণে এই ধরনের মহাজাগতিক ক্ষণকে ‘সুপার ব্লু মুন’

বলা হয়ে থাকে। পশ্চিমে যারা গুজবে বিশ্বাসী, তারা জানেন এই ব্লু মুনের রাতেই নেকড়ে মানবের আবির্ভাব ঘটে। ফলে গুজবে বিশ্বাসী কিছু পশ্চিমাদের জন্য জানুয়ারির প্রথম ও শেষ দিনটি কাটবে আতঙ্কে। যদিও এই ধরনের ঘটনা বছরে দু’একবার ঘটেই থাকে!

34 Views