ফুলছড়ি বন কর্মকর্তাদের যোগসাজসে উজাড় হচ্ছে সংরক্ষিত বনাঞ্চল

নিজস্ব প্রতিবেদক : কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের অধিনে ফুলছড়ি রে কমকর্তাদের ভাগবাটোয়ারায় সাবাড় হচ্ছে শতবর্ষী বনের গাছ। এছাড়াও টাকার বিনিময়ে সংরক্ষিত বনা লের বাগানে বসবাসের সুযোগ করে দিচ্ছেন দুর্নিতিবাজ বন কর্মকর্তারা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, খুটাখালী মধুসিয়া এলাকা থেকে রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাকের সহযোগীতায় শতবর্ষী গর্জন, সেগুনসহ বিভিন্ন প্রকার গাছ কেটে ফেলেছে বনদুস্যরা। সরকারী বনায়ন যারাই রক্ষা করার কথা তারাই উল্টো গাছ কর্তন করে বিক্রির সাথে জড়িত রয়েছে। এই বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, খুটাখালী হরিনাজিড়ী এলাকার সংরক্ষিত বন ধংস করে টাকা নিয়ে বসবাসের সুযোগ করে দিয়েছে বহিরাগতদের। প্রতিজন থেকে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা করে নিয়ে এই ব্যবস্থা সৃষ্টি করেছেন তিনি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, খুটাখালীর বিট কর্মকর্তা থেকে কিছু দিন আগে ফুলছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তার বদলী হলে সেখানে ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পায় এই দুর্নিতিবাজ বন কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক। অন্যদিকে ফুলছড়ি বিট কর্মকর্তা হাবিবুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে এ ধরণের অপতৎপতা করে যাচ্ছেন তিনি। বিট কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান ইসলামপুর নতুন অফিসের সমিতি বিটার উত্তর পাশে শত শত ঘরবাড়ি তৈরি করে দিয়েছেন। এছাড়াও নাইজ্জাজুম পুর্ব পাশে অহরহ টাকার বিনিময়ে ঘর তৈরি করে বসবাসের সুযোগ করে দিয়েছেন তিনি। প্রতি বাড়ি থেকে ৫ থেকে ১৫ হাজার টাকা করে নিয়েছেন বিট কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান এমনই দাবী করছেন স্থানীয় সচেতন বাসিন্দারা। এ ধরণের অপতৎপরাতায় কোন সমস্যা হলে বন বিভাগের বিভাগীয় কার্যালয়ে পর্যন্ত শেল্টার দেন ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক। এই দুই বন কর্মকর্তা সিন্ডিকেট হয়ে বনের গাছ সাবাড় হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর ঘুমিয়ে রয়েছেন বলে মনে করেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক কর্মকর্তা বেলায়েত হোসাইন জানান, জনবল সংকটের কারণে আব্দুর রাজ্জাককে ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা করা হয়েছে। তবে তার অভিযোগের বিষয়ে অবগত নন।
তিনি জানান, এ ধরণের কয়েকটি অভিযোগ পাওয়ার সরেজমিনে পরিদশন করেছি। এবারও কোন ধরনের অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।