আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ,আহত-১০

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের তোরাবগঞ্জ বাজারে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নুরুল আমিন ও চরলরেন্স যুবলীগের সভাপতি ইছমাইল হোসেন সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় উভয় পক্ষের অনন্ত ১০জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে  যুবলীগ কর্মী মাইন উদ্দিন,সুমন, চৌধূরী ও সবুজ হোসেনকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া তোফায়েল আহম্মদ.আবুল কাশেম ও সিরাজ উদ্দিনকে কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল সোমবার রাত ৯টার দিকে। দু-পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
পুলিশ ও দলীয় নেতাকর্মীরা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও চরলরেন্স ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমিন মাষ্টার এবং চরলরেন্স যুবলীগের সভাপতি ও একই ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ইছমাইল হোসেনের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে সোমবার রাত ৯টার দিকে তোরাবগঞ্জ বাজারে দু-পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এসময় উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নুরুল আমিন মাষ্টারের ছেলে নিজাম উদ্দিন সোহেল ও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি  ইছমাইল হোসেনকে গালমন্দ ও মারধর করার চেষ্টা করে। এর জের ধরে নুরুল আমিন মাষ্টার  ও ইছমাইল হোসেন সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে চরলরেন্স যুবলীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য ইছমাইল হোসেন,যুবলীগ কর্র্মী মাইন উদ্দিন, সুমন, চৌধূরী
আলম, সবুজ হোসেন, তোফায়েল আহম্মদ,আবুল কাশেম ও সিরাজ উদ্দিনসহ কমপক্ষে ১০জন আহত হয়। আহতদের সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও চরলরেন্স ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমিন মাষ্টার এবং চরলরেন্স ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও একই ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ইছমাইল হোসেন একে অপর দায়ী করছেন।
কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আকুল চন্দ্র বিশ^াস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান. পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।