রাষ্ট্রযন্ত্রকে নগ্নভাবে ব্যবহার করছে সরকার: ফখরুল

বিএনপিকে কোণঠাসা ও চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিপর্যস্ত করতে সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে নগ্নভাবে ব্যবহার করছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির ঘটনা আক্রোশমূলক ও গভীর ষড়যন্ত্রমূলক। দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপিকে কোণঠাসা করার জন্য জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রতীক খালেদা জিয়াকে বিপর্যস্ত করতে রাষ্ট্রযন্ত্রকে নগ্নভাবে ব্যবহার করছে সরকার। আজ গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা আলমগীর বলেন, মহাজোট সরকার কোন সমালোচনা, বিরোধীতা, প্রতিবাদ সহ্য করতে পারে না। সে কারনে তারা দেশে কোন বিরোধী দল রাখতে চায় না। দেশের ব্যাপক জনপ্রিয় নেত্রী খালেদা জিয়াকে প্রধান প্রতিপক্ষ মনে করে বলেই তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক হয়রানীমূলক মামলা দিয়ে বিপর্যস্ত করার ব্যর্থ চেষ্টায় লিপ্ত সরকার। এ জন্যই সরকার চরম রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে আদালতকে ব্যবহার করে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করিয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান আওয়ামী সরকার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার জন্যই ভয়াবহ দু:শাসন চালিয়ে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোকে দমন করার নীতি জারি রেখেছে। ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং বিরোধী দলগুলোকে উৎখাত করতে পারলেই দেশের মানুষ ভয় পেয়ে যাবে বলে বর্তমান সরকার বিশ্বাস করে। বিএনপি মহাসচিব বলেন, সর্বোচ্চ আদালতের রায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ আওয়ামী নেতা ও মন্ত্রীদের ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্য এবং ইদানিং প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে মঞ্চায়িত নাটকের নির্লজ্জ ও নজীরবিহীন ঘটনা গোটা জাতিকে বাকরুদ্ধ ও হতবাক করে দিয়েছে। আর এভাবে একের পর এক রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক প্রথা-প্রতিষ্ঠানকে সমূলে উৎপাটিত করার জন্য আওয়ামী সরকার এক আগ্রাসীরুপে আবির্ভূত হয়েছে। রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক স্তম্ভগুলোকে ধ্বংস করে বহুদলীয় গণতন্ত্রের অপরিহার্য শর্ত বিরোধী দলগুলোকে বিনাশ করার ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে দায়ের করা অসংখ্য মামলার মধ্যে আজকে একটি মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আমি মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারির ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা ও গ্রেপ্তারী পরোয়ানা প্রত্যাহারের জোর দাবি করছি।