‘আইনজীবী সমিতিকে রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে’

চাপ প্রয়োগ করে প্রধান বিচারপতিকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে- আইনজীবী সমিতির সভাপতির এমন বক্তব্যের বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, ‘আইনজীবী সমিতি একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের কাছে কুক্ষিগত হয়ে পড়ায় এ ধরনের কথা বলে বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে।

মঙ্গলবার অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টে  তার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

‘আইনজীবী সমিতিকে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে উল্লেখ করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আপনারা (সাংবাদিকরা) জানেন, এর আগে কাদের মোল্লার পরিবারকে নিয়ে বার অ্যাসোসিয়েশনে মিটিং করেছে। অনেকগুলো যুদ্ধাপরাধের মামলার ব্যাপারে বিরূপ মন্তব্য করা হয়েছে আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে। এসব প্রচেষ্টা হীন প্রচেষ্টা।

প্রধান বিচারপতির হঠাৎ এক মাসের ছুটিতে যাওয়ার বিষয়ে মাহবুবে আলম বলেন, ‘প্রধান বিচারপতি ছুটিতে গেছেন। আমাদের মাননীয় আইনমন্ত্রী বলেছেন, উনি কী কারণ দর্শিয়ে গেছেন। আমরা জানি উনি একজন ক্যান্সারের পেশেন্ট (রোগী)। আগেও উনার ক্যান্সারের ট্রিটমেন্ট হয়েছে। কাজেই এটা সম্পূর্ণ উনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। এসব বক্তব্য দিয়ে একটি বিশেষ রাজনেতিক দল নানারকম ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, এগুলোর কোনো সারবত্তা নেই, কোনোরকম বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। এগুলোকে গোচরে আনারই প্রয়োজন পড়ে না। তাছাড়া একজন বা দুজন বিচারপতির জন্য এদেশে কোনোদিনই বিচার বিভাগের কাজ বন্ধ থাকেনি।

প্রধান বিচারপতির সঙ্গে গত চার-পাঁচ দিন ধরে কোনো যোগাযোগ নেই বলেও জানান রাষ্ট্রের এই প্রধান আইন কর্মকর্তা।

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা কোথায় আছেন জানতে চাইলে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন ‘আমি জানি না। আমার জানার কথা না। তাছাড়া অসুস্থ হলে যদি অনুমতি না দেন তাহলে তো জোর করে দেখতে যাওয়া যায় না।’

অনুমতি চেয়েছিলেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি চেষ্টাই করিনি। দেশে থাকলে হয়তো চেষ্টা করব।’