পোস্টে দ্বিগুণ কথা লেখার পরীক্ষা চালাচ্ছে টুইটার

১১ বছর আগে যখন মাইক্রোব্লগিংয়ের এই সাইটটি খোলা হয়েছিল তখন মোবাইলের ক্ষুদে বার্তার সীমাকে মাথায় রাখা হয়েছিল। মোবাইলে তখন সর্বোচ্চ ১৪০ ক্যারেক্টারের মেসেজ লেখা যেতো। কিন্তু বর্তমানে সেই সীমা উঠে গেছে। অনেক বেশি বা ইচ্ছেমত মেসেজ লেখা যায় আর সবার হাতে হাতে পৌছে গেছে স্মার্টফোন, আইফোন, ট্যাবসহ বিভিন্ন গ্যাজেট।

টুইটারের ১৪০ ক্যারেক্টারে লেখার সীমাবদ্ধতাটি অনেককেই চাপে ফেলত। দেখা যেতো একাধিক টুইটার পোস্ট করে মনোভাব প্রকাশ করতে হচ্ছে ব্যবহকারকারীকে। তাই পরীক্ষামূলকভাবে কয়েকটি ভাষায় এবং কিছু ব্যবহারকারীকে ২৮০ ক্যারেক্টারে লেখার সুযোগ করে দিচ্ছে টুইটার।

তবে বার্তা সংস্থা এপির খবরে জানা যায়, এই সুযোগের আওতায় থাকবেনা জাপানি, কোরিয়ান ও চীনা ভাষা। কারণ এই ভাষাগুলোতে একটি ক্যারেক্টারে অনেক কথা বলা যায়। ইংরেজি বা অন্য ভাষার চেয়ে দ্বিগুণ কথা লেখা যায় সমপরিমাণ ক্যারেক্টার দিয়ে।

মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সানফ্রান্সিসকোর সদরদপ্তর থেকে টুইটার তাদের একটি ব্লগপোস্টে নতুন এই ঘোষণাটি দেয়। সেখানে বলা হয় ১৪০ ক্যারেক্টারে চিন্তাকে প্রকাশ করতে যে কষ্ট হয় সেটা আমলে নিয়ে এই পরীক্ষা চলবে। পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে ২৮০ ক্যারেক্টারের ব্যাপারে সুরাহা হবে। তবে এর চেয়ে আর বেশি আর না বাড়ানোর ইঙ্গিত করেছে টুইটার।

ক্ষুদে বার্তা শেয়ারের জন্য জনপ্রিয় এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি তার এই ব্র্যান্ড ধরে রাখবে বলে আশা করা যাচ্ছে।