নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বিএনপির রুদ্ধদ্বার বৈঠক

আগামী ১৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপের সম্ভাব্য রূপরেখা ও প্রস্তাব নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছে বিএনপি।

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা থেকে রাত প্রায় দশটা পর্যন্ত গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সচিবসহ প্রায় ১২-১৪ জন অংশ নেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বৈঠকে অংশ নেওয়া একটি সূত্র জানায়, গুলশানের বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমদু চৌধুরী ও সাবেক সচিব ইসমাঈল জবিউল্লাহসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপের সময় দলের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য প্রস্তাবগুলোর মধ্যে নির্বাচন কমিশন এর ক্ষমতার পূর্ণাঙ্গ ব্যবহার, সহায়ক সরকার গঠন ও সংসদ ভেঙে দেওয়াসহ বেশ কয়েকটি বিষয়কে সামনে আনছে বিএনপি। তবে প্রস্তাব উত্থাপনের আগে গোপনীয়তা রক্ষা করছে দলটি।

বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে শুক্রবার রাত পৌনে বারোটার দিকে স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘আমি তো এ বিষয়টি ডিসক্লোজ করব না। এটা আলোচনা করা যাবে না। এটা ইন্টারনাল মিটিং। প্রাইভেট মিটিং। ইসি নিয়ে তো কয়েকবারই মিটিং হয়েছে।’

জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের জন্য দলের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য প্রস্তাবের রূপরেখা তৈরির ড্রাফটিং করেছেন কয়েকজন। এর মধ্যে অন্যতম সাবেক সচিব ইসমাঈল জবিউল্লাহ। গতকাল শুক্রবারের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এই আলোচনার বর্ণনাসহ পুরো খসড়াটি পাঠানো হবে লন্ডনে অবস্থানরত দলের প্রধান খালেদা জিয়ার কাছে। সেখানে অবস্থান করা বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ খালেদা জিয়া বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ১২ টার দিকে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ‘নির্বাচন কমিশনে যেদিন যাব, সেদিন আমরা উত্থাপন করব। এটা আগে বলার কিছু নেই। আমাদের নেত্রী লন্ডনে, আমরা কিছু চিন্তাভাবনা করেছি, সেটা তাকে পাঠাব। এরপর আমরা বুঝব যে, কি বলব, না বলব।’