ক্রিজে মানিয়ে উইকেট দিলেন তামিমও

আরো একটি সম্ভাবনার অপমৃত্যু। ব্যক্তিগত ৩৯ রানে উইকেট খোয়লেন তামিম ইকবাল। লেগ স্টাম্পের বাইরে যেতে থাকা প্রোটিয়া অভিষিক্ত পেসার আনদিলে ফেলুকায়োর ডেলিভারিতে খোঁচা দিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন তামিম। ৬৭ বলে ইনিংসে ৬ বাউন্ডারি ও একটি ছক্কা নিয়ে ফর্ম দেখাচ্ছিলেন দেশসেরা এ ব্যাটসম্যান। বাঁ-দিকে ঝাপিয়ে দারুণ ক্যাচ গ্লাভসবন্দি করেন প্রোটিয়া কিপার কুইন্টন ডি কক। আগের দিন ক্রিজে মানিয়ে পরে উইকেট দেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহীম। ৫৮ বলে মুশফিক করেন ৪৪ রান। আর ওপেনার লিটন কুমার দাস উইকেট দেন ব্যক্তিগত ২৫ রানে। শনিবার ম্যাচের তৃতীয় দিনে খেলার শুরুতেই দুই রিভিও হারিয়ে বসেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। পচেফস্ট্রমে প্রোটিয়া পেসার কাগিসো রাবাদার বল তামিম ইকবালের পায়ে লাগলে আম্পায়ার তাতে সাড়া দেননি। আবার এক ওভার পরে আবারো তামিমের পায়ে লাগে বল। দুইবার রিভিও নিয়ে হতাশ হন স্বাগতিকরা। ৩ উইকেটে ১২৭ রান করে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছিল বাংলাদেশ। দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান মমিনুল হক ২৮ রান ও তামিম ইকবাল ২২ রানে ব্যাট করতে নামেন। স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ইনিংসে করেছিল ৩ উইকেটে ৪৯৬ রান। ডিন এলগার দ্বিশতক মিস করেন ১ রানের জন্য, হাশিম আমলা ১৩৭ রান ও অভিষেক ইনিংসেই ৯৭ রান করে ফেরেন এইডেন মার্করাম। মোস্তাফিজুর রহমান ও শফিউল ইসলাম পান একটি করে উইকেট। তামিম ইকবাল ৯৯ তম ইনিংসে এসে ওপেন করার সুযোগ বঞ্চিত হন দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং সেশনের শেষ ৪৯ মিনিট ফিল্ডিং না করবার কারণে। টানা ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে ইমরুল কায়েস আউট হন মাত্র ৭ রান করে। আরেক ওপেনার লিটন দাস করেন ২৫ রান ও অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম করেন ৪৪ রান। মর্কেল, রাবাদা, মহারাজ ও ফেলুকায়ো পেয়েছেন একটি করে উইকেট। বাংলাদেশের ৪ উইকেট হারিয়ে করেছেন ১৫৮ রান।