নির্বাচন

স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হলেন যারা

(বাঁ থেকে) মোহাম্মদ শহিদ ইসলাম (লক্ষ্মীপুর-২), রেজাউল করিম বাবলু (বগুড়া-৭) ও মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন (ফরিদপুর-৪)

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী জয় পেয়েছেন। রবিবার এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

যে তিন আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন, সেগুলো হচ্ছে: বগুড়া-৭, লক্ষ্মীপুর-২ ও ফরিদপুর-৪।

বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম বাবলু বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ট্রাক প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৮৯ হাজার ৩৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ফেরদৌস আরা খান মিনু ডাব প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২৯২ ভোট। বিএনপির সমর্থনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হন।

এছাড়া মহাজোট প্রার্থী জাতীয় পার্টির মুহম্মাদ আলতাফ আলী লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৬ হাজার ৫৪ ভোট।

এখানে প্রথমে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া প্রার্থী ছিলেন। তবে দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ায় তার প্রার্থিতা বাতিল হয়। দলটির বিকল্প দুই প্রার্থী উপজেলা চেয়ারম্যান মিলটন মোর্শেদ ও সরকার বাদলের প্রার্থিতাও বাতিল হয় আদালতের নির্দেশে। এর পর নির্বাচনের দুদিন আগে ২৮ ডিসেম্বর স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম বাবলুকে সমর্থন দেয় বিএনপি।

লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদর একাংশ) আসনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ শহীদ ইসলাম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। আপেল প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন দুই লাখ ৫৬ হাজার ৭৮৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবুল খায়ের ভূঁইয়া পেয়েছেন ২৮ হাজার ৬৫ ভোট। এই আসনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের প্রার্থী ছিলেন জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ নোমান।

তিনি নির্বাচনী প্রচার চলার কিছু দিনের মধ্যেই নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।

ফরিদপুর-৪ (ভাঙা, চরভদ্রাসন ও সদরপুর আংশিক) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সনের কাছে পরাজিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ। এই আসনে সিংহ মার্কা নিয়ে নিক্সন পেয়েছেন এক লাখ ৪৩ হাজার ৭০৭ ভোট। তার নিকটতম প্রার্থী আওয়ামী লীগের কাজী জাফরউল্লাহ পেয়েছেন ৯৫ হাজার ১৮৮ ভোট।

এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আলোচিত গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার ও বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল ইসলাম ওরফে হিরো আলম পরাজিত হয়েছেন।

তবে হিরো আলমের ওপর ক্ষমতাসীন দলের ক্যাডাররা হামলা করলে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।