আইন আদালত

মির্জা আব্বাসের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের নির্দেশ বহাল

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের জন্য হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে মির্জা আববাসের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে থাকা ঢাকা-৯ আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রিটার্নিং কর্মকতার কাছে পাঠাতে বলা হয়। বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। পরে এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

মির্জা আব্বাসের অভিযোগ, গত ২৮ নভেম্বর ঢাকা-৯ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তার পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দিতে আসা সমর্থকদের অভিযোগ, মির্জা আব্বাসের ছবি দেখেই শেষ দিনে মনোনয়ন জমা নিতে গড়িমসি করেন রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ের নির্বাচনী কর্মকর্তারা। তবে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের দাবি, সময় শেষ হওয়ার পর মনোনয়নপত্র জমা দিতে আসায় তা জমা নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ঢাকা-৯ আসন থেকে মির্জা আব্বাসের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দিতে আসেন তার সমর্থকরা। তাদের দাবি, বিকেল সাড়ে ৪টায় তারা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে এসে হাজির হন। কাগজপত্র তৈরি করতে কিছুটা সময় লেগেছে। কিন্তু, ইচ্ছাকৃতভাবে তার মনোনয়নপত্র জমা নেওয়া হয়নি।

মির্জা আব্বাসের মনোনয়নপত্র নিয়ে আসা খন্দকার সিকান্দার কাদের বলেন, ‘আমরা নির্ধারিত সময়ের আগেই এসেছি। কিন্তু, মির্জা আব্বাসের ছবি দেখে মনোনয়নপত্র শেষ মুহূর্তে জমা নেওয়া হয়নি। যদিও ৫টার পর অন্যদের মনোনয়নপত্র জমা নেওয়া হয়েছে। বিকেল ৫টার পরও তাদেরকে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ের ভেতর অবস্থান করতে দেখা যায়। এ সময় মনোনয়নপত্র জমা নেওয়ার জন্য নির্বাচনী কর্মকর্তাদের অনুরোধ করলেও তারা মির্জা আব্বাসের মনোনয়নপত্র জমা নেয়নি।’

এ বিষয়ে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের দাবি, যারা মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় বিকেল ৫টার মধ্যে অফিস কম্পাউন্ডে ছিলেন, তাদের নেওয়া হয়েছে। মির্জা আব্বাসের মনোনয়নপত্র নিয়ে তার সমর্থকরা সময় শেষ হওয়ার পর আসায়, তা নেওয়া সম্ভব হয়নি।

পরে গত ১ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন মির্জা আব্বাস।