ঢাকা বিভাগ

মানিকগঞ্জে তরুনীকে ধর্ষণের অভিযোগে ২ পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি : মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় তরুণীকে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে এক উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও এক সহকারী উপ-পরিদর্শককে (এএসআই) পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ দু’জন হলেন এসআই সেকেন্দার হোসেন ও এএসআই মাজহারুল ইসলাম। গত রোববার (১০ ফেব্রুয়ারি) ওই তরুণী মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) রিফাত রহমান শামিমের কাছে লিখিত অভিযোগ করার পর তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
লিখিত অভিযোগে তরুণী দাবি করেন, তার এক খালা সাটুরিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেকেন্দার হোসেনের কাছে প্রায় তিন লাখ টাকা পান। ওই টাকা আনতে গত বুধবার বিকেল ৫টার দিকে খালার সঙ্গে সাটুরিয়া থানায় যান তিনি। সেখান থেকে সেকেন্দার দুইজনকে নিয়ে সাটুরিয়া ডাক-বাংলোতে যান। কিছুক্ষণ পর বাংলোতে উপস্থিত হন একই থানার এএসআই মাজহারুল ইসলাম। ওই তরুণীর অভিযোগে বলা হয়েছে, দুই পুলিশ কর্মকর্তা বাংলাতে তরুণী ও তার খালাকে আলাদা ঘরে আটকে রাখেন। এক পর্যায়ে ওই তরুণীকে অস্ত্রের মুখে ইয়াবা সেবনে বাধ্য করা হয়। পরে একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করা হয়। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দুই জনকে আটকে রাখার পর ডাকবাংলো থেকে বের করে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করলে এসআই সেকেন্দার হোসেন জানান,আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা ।
এ ঘটনায় পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম জানান, এই ঘটনায় ২ সদস্যবিশিষ্টি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। শীঘ্রই তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মানিকগঞ্জে তরুনীকে ধর্ষণের অভিযোগে ২ পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি, ১১ ফেব্রুয়ারী
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় তরুণীকে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে এক উপ-পরিদর্শক (এসআই) ও এক সহকারী উপ-পরিদর্শককে (এএসআই) পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ দু’জন হলেন এসআই সেকেন্দার হোসেন ও এএসআই মাজহারুল ইসলাম। গত রোববার (১০ ফেব্রুয়ারি) ওই তরুণী মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) রিফাত রহমান শামিমের কাছে লিখিত অভিযোগ করার পর তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
লিখিত অভিযোগে তরুণী দাবি করেন, তার এক খালা সাটুরিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেকেন্দার হোসেনের কাছে প্রায় তিন লাখ টাকা পান। ওই টাকা আনতে গত বুধবার বিকেল ৫টার দিকে খালার সঙ্গে সাটুরিয়া থানায় যান তিনি। সেখান থেকে সেকেন্দার দুইজনকে নিয়ে সাটুরিয়া ডাক-বাংলোতে যান। কিছুক্ষণ পর বাংলোতে উপস্থিত হন একই থানার এএসআই মাজহারুল ইসলাম। ওই তরুণীর অভিযোগে বলা হয়েছে, দুই পুলিশ কর্মকর্তা বাংলাতে তরুণী ও তার খালাকে আলাদা ঘরে আটকে রাখেন। এক পর্যায়ে ওই তরুণীকে অস্ত্রের মুখে ইয়াবা সেবনে বাধ্য করা হয়। পরে একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করা হয়। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দুই জনকে আটকে রাখার পর ডাকবাংলো থেকে বের করে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করলে এসআই সেকেন্দার হোসেন জানান,আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা ।
এ ঘটনায় পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম জানান, এই ঘটনায় ২ সদস্যবিশিষ্টি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। শীঘ্রই তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।