খুলনা বিভাগ

মণিরামপুরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও জনবসতি জমি দখল করে ইট ভাটা নির্মাণের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

মোঃ মনোয়ার হোসেন, মনিরামপুর (যশোর) থেকে ঃ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও জনবসতি এলাকার মধ্যে আবাদি জমি দখল করে ইট ভাটা করার প্রতিবাদে মণিরামপুর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেছে উপজেলার চালুয়াহাটী গ্রামের কৃষক বিল্লাল হোসেন। গতকাল বিকেলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে কৃষক বিল্লাল হোসেন সহ ১৫/১৬ জন কৃষক জানান মহিদুল ইসলাম নামের এক প্রভাবশালী ব্যক্তি ত্রিপুরাপুর মৌজায় অন্তঃত ২০/২৫ জন কৃষকের আবাদী জমি দখল করে হাবিব ব্রীকস নামে একটি ইট ভাটা তৈরির কার্যক্রম শুরু করেছে। আবাদি জমি দখল করে ইট ভাটা করা হলে আমরা না খেয়ে মরবো। বাপ-দাদা থেকে পূর্ব পুরুষের থেকে পাওয়া এই জমিতে চাষ আবাদ করে ফসল উৎপাদন করে আমরা জীবিকা নির্বাহ করি। এখন এলাকার প্রভাবশালী মহিদুল ইসলাম কোন অনুমোদ ছাড়াই ফসলির জমি দখল করে ইট ভাটা তৈরির কাজ চালাচ্ছেন। আমরা কৃষকরা জমি দিতে না চাইলেও বিভিন্ন ভাবে হয়রানি সহ ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক সহ সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিতে লিখিত ভাবে আমরা জানিয়েছি। জমির মালিকগণ হচ্ছেন ত্রিপুরাপুর গ্রামের মনছোপ সরদার, হোসেন সরদার, মন্টু সরদার, সাত্তার সরদার, বায়োজিদ সরদার, হান্নান সরদার, গোলাম সরদার, খোরশেদ সরদার, গফুর সরদার, করিম সরদার, মান্নান সরদার, সালাম সরদার, চালুয়াহাটী গ্রামের বিল্লাল হোসেন, আবুল বাশার, তরিকুল ইসলাম, আবুল বাশার ভুট্ট ও সাত্তার শেখ। লিখিত ভাবে জানানো হয় যে স্থানটিতে ইট ভাটা নির্মাণের কার্যক্রম চালাচ্ছে তার চারপাশে অন্তত শতাধিক বসতবাড়ি, একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। প্রভাবশালী ওই ব্যক্তি ভাটা কার্যক্রম শুরু করলে আমাদের এলাকা ছেড়ে অন্যাত্রে চলে যাওয়া ছাড়া কোন উপায় নেই। এ অবস্থায় ইট ভাটা যাতে না করতে পারেন সে জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন মহলের জোর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।