আজকের সেরা সংবাদ

ভাসান চরে ২৫ হাজার রোহিঙ্গাকে স্থানান্তরের ব্যবস্থা হয়ে গেছে: ত্রাণমন্ত্রী

নোয়াখালীর ভাসান চরে ২৫ হাজার রোহিঙ্গাকে স্থানান্তরের মত ব্যবস্থা সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান তিনি। ঘূর্ণিঝড় তিতলি মোকাবেলার প্রস্তুতি তুলে ধরতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

এছাড়াও অল্প সময়ের মধ্যে রোহিঙ্গাদের জন্য অবকাঠামো নির্মাণ করে দেওয়ায় নৌবাহিনীকে ধন্যবাদ জানান ত্রাণমন্ত্রী।

ভাসন চরে এক লাখ রোহিঙ্গাকে ‘অস্থায়ীভাবে’ রাখা হবে জানিয়ে মায়া বলেন, তারা মিয়ানমারের নাগরিক। ওই দেশের নাগরিক হিসেবে সম্মানের সঙ্গে দেশে ফিরে যাবে, এটাই আমরা চাই।

তিনি আরও বলেন, যখন রোহিঙ্গারা আসে তখন ছিল হাড্ডিসার, কাপড় ছিল না, চেহরা ছিল না। এখন যদি যান দেখেন কি অবস্থা, হৃষ্টপুষ্ট আছে।

ভাসান চরে এক লাখ রোহিঙ্গার জন্য নির্মিত আশ্রয়ণ প্রকল্প গত ৪ অক্টোবর উদ্বোধন করার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। কিন্তু সময় স্বল্পতায় প্রধানমন্ত্রী এখনও ভাসান চরে যাননি।

এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মায়া বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেদিন সময় দেবেন সেদিন ভাসান চরের উদ্বোধন করা হবে, আমরা প্রস্তুত, সেখানে ২৫ হাজার রোহিঙ্গাকে নেওয়ার মত সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, রোহিঙ্গাদের নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার কাছে মেঘনার মোহনার বিরান দ্বীপ ভাসান চরে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে সরকার। এজন্য গতবছরের শেষ দিকে একনেকে ২৩১২ কোটি টাকার প্রকল্প পাস হয়। এর আওতায় মোটামুটি ১০ হাজার একর আয়তনের ওই চরে এক লাখের বেশি মানুষের বসবাসের জন্য ১২০টি গুচ্ছ গ্রামে ১৪৪০টি ব্যারাক হাউজ ও ১২০টি আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণের কাজ শুরু হয়। এই আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। পুরোপুরি সরকারি অর্থায়নের এ প্রকল্পের কাজ ২০১৯ সালের নভেম্বরের মধ্যে শেষ করার কথা রয়েছে।