রংপুর বিভাগ

ব্রহ্মপুত্রে নৌকা ডুবি, ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার

গাইবান্ধা সদর উপজেলার গিদারী ইউনিয়নের ধুতিচোরা এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদে নৌকা ডুবিতে ৬ জন নিখোঁজের পর ৪জনের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয় লোকজন মাছধরার বেড়জাল দিয়ে একজনকে এবং রংপুর থেকে ডুবুরি দল এসে আরও তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ২ জন।

নিহতরা হলো ধুতিচোরা গ্রামের এনছের আলীর স্ত্রী রোকেয়া বেগম(৪০), আজিজার রহমানের স্ত্রী ফিরোজা বেগম(৫৫), তার নাতনি শাহানাজ খাতুন(১০)। অপর জনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আজ সকাল ৯টার দিকে ধুতিচোরা ও আশপাশের গ্রামের নারী-শিশুসহ অন্তত ৬০ জন শ্রমিক ব্রহ্মপুত্র নদের চরে ভুট্টা ক্ষেতে কাজ করার জন্য একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় ওঠে। কিছু দুর যাওয়ার পর নৌকাটি একটি ডুবোচরের সাথে ধাক্কা লেগে উল্টে যায়। এতে নৌকায় থাকা যাত্রীরা সবাই পানিতে পড়ে যায়। অধিকাংশ যাত্রী সাঁতরে ডাঙায় উঠতে পারলেও নারী-শিশুসহ ৬জন শ্রমিক নিখোঁজ হয়।খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম ঘাটে পৌছালেও তাদের সাথে ডুবুরি না থাকায় তাদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

পরে গিদারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদের নেতৃত্বে স্থানীয় জনগণ মাছ ধরার বেড়জাল ফেলে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে বেড়জালের মাধ্যমে রোকেয়া বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

দুপুর ১টার দিকে রংপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের দুইজন ডুবুরি এসে স্থানীয়দের সহায়তায় ফিরোজা বেগম, তার নাতনি শাহনাজ খাতুন ও অজ্ঞাত একজনের মরদেহ উদ্ধার করে।গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক আবদুল মতিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

চারজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জামালপুরের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম  বলেন, খবর পেয়ে আমরা এসে তিনজনকে উদ্ধার করেছি। আমার আসার আগেই স্থানীয়রা এক নারীর মৃতদেহ জাল দিয়ে উদ্ধার করেন। নিখোঁজ আর দুইজনকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।