বিশেষ প্রতিবেদন

ফেয়ারনেস ক্রিম কী আসলেই ত্বক ফর্সা করে?

ফেয়ারনেস ক্রিমের নামে বাজার সয়লাব হচ্ছে ভেজাল প্রসাধনীতে। কখনও কখনও নামিদামী ব্র্যান্ডের মোড়ক করে বিক্রি করা হচ্ছে এসব প্রসাধনী। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা মতে এসব ক্রিম ত্বককে ফর্সা তো করেই না, বরং দীর্ঘদিন ব্যবহারে ত্বকে এলার্জিসহ হতে পারে মরণঘাতী ক্যানসার।

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বাসাবাড়ি অথবা বিভিন্ন অনুমোদনহীন কারখানায় ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্যের মাধ্যমে এসব প্রসাধনী তৈরি হচ্ছে। পরবর্তীতে সেসব নামে-বেনামে ছড়িয়ে পড়ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপণে বিভ্রান্ত হয়ে ত্বক ফর্সা করতে ক্রেতারাও ঝুঁকছেন এসব পণ্যের দিকে। না বুঝে কখনওবা প্রতারণার স্বীকার হয়ে এসব পণ্য সংগ্রহ করছেন অনেকে।    তবে যাচাই-বাছাই করে প্রসাধনী ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, ফেয়ারনেস ক্রিমে ন্যানো কার্বন থাকে, যা আলো ও বাতাসের মিশেলে সক্রিয় অক্সিজেন তৈরি করে। এই রাসায়নিক উপাদান ত্বকের কোষ মেরে ফেলে, যা মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শহীদুল্লাহ শিকদার বলেন, রং ফর্সা না করে উল্টা অনেক রোগীদের ক্ষেত্রে এলারজি হয়, ছোট ছোট দানা পড়ে, দাগ পড়ে লাল হয়ে যায়। এমনকি ইনফেকশন হয়ে যায়। এছাড়া মাত্রারিক্ত রাসায়নিক ছাড়া কোনোভাবেইে ত্বকের রং পরিবর্তন সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন এই চিকিৎসক। যেকোন প্রসাধনে রাসায়নিক উপাদানের ব্যবহারকে বিজ্ঞানসম্মত করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।