আজকের সেরা সংবাদ

‘তেজগাঁওয়ের খাদ্য গুদাম দেখে প্রধানমন্ত্রী অবাক হয়েছেন’

তেজগাঁওয়ের সরকারি খাদ্য গুদামের অবস্থা  দেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবাক হয়েছেন বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান।

তিনি বলেন, তেজগাঁওয়ের গুদাম ঘরে ময়লা, পানি পড়ে। এ ছাড়া এটা ভাঙা।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেক সভায় ৬টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। সভা শেষে প্রকল্পগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরতে গিয়ে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

আজ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ‘সারা দেশে পুরাতন খাদ্য গুদাম ও আনুসাঙ্গিক সুবধাদি, মেরামত এবং নতুন অবকাঠামো নির্মাণ’ প্রকল্পসহ ৬টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ২ হাজার ৯২০ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।

অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী সারা দেশে পুরাতন খাদ্য গুদাম মেরামত এবং নতুন অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরতে গিয়ে বলেন, এ প্রকল্পে আমাদের ৩১৬ কোটি ৮৮ লাখ টাকা খরচ হবে। যার পুরোটাই সরকারি অর্থায়নে হবে।

তিনি বলেন, আমরা খাদ্যে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ। এটা ধরে রাখতে হবে। আর এজন্য আমাদের বিতরণ ও মজুদ করার ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে। এ কারণে এ প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সারা দেশে ৮টি বিভাগের ৬২টি জেলার ১৯৪টি উপজেলা ও ৭টি সিটি করপোরেশনের ৫৫০টি গুদাম মেরামত করা হবে। এ ছাড়া নতুন অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে।

এসময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, তেজগাঁওয়ের সরকারি খাদ্য গুদামের অবকাঠামোর উন্নয়ন করতে হবে।

এসময় তিনি বলেন, ‘তেজগাঁওয়ের সরকারি খাদ্য গুদাম দেখে প্রধানমন্ত্রী অবাক হয়েছেন। খাদ্য গুদাম ময়লা, ভাঙা। এখানে পানি পড়ে।’

অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, পূর্বাচলে নির্মাণাধীন বাংলাদেশ-চীন ফেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার নির্মাণ শেষ হলেই সেখানে বাণিজ্য মেলা হবে। এ প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী দ্রুত শেষ করতে বলেছেন। যদিও প্রকল্পটির মেয়াদ জুলাই ২০১৫ থেকে ডিসেম্বর ২০২০ সাল পযর্ন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ২০১৯ সালেই চীন সরকার এটা নির্মাণ করে দিতে চেয়েছে। সকল অবকাঠামো চীনে নির্মিত হবে শুধু পূর্বাচলে এগুলো ফিটিং করা হবে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আজ বৈঠকে বলেছেন সে সমস্ত জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় নেই সেসব জেলায় পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয় করা হবে।